২০১৫ সালের বিহারের নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বেশ উন্নতি হল। দেখা যাচ্ছে চলতি নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের ৪৮ শতাংশই স্নাতক বা তারও বেশি পড়াশোনা করেছেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে গত ৫ বছরে ৬ শতাংশ উন্নতি হয়েছে।

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মোট ৩,৪৫০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস জানিয়েছে তারমধ্যে ১,৬৩৫ (৪৭ শতাংশ) প্রার্থী ছিলেন পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেনি পাস। আর ১,৪৩৩ (৪২ শতাংশ) প্রার্থী ছিলেন স্নাতক বা তার চেয়ে উট্ট ডিগ্রির অধিকারী। ৩৩৮ জন প্রার্থী ছিলেন শুধু সাক্ষর আর ১১ জন প্রার্থী ছিলেন নিরক্ষর।

অন্যদিকে ২০২০ বছরের নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা ৩,৭৩৩ জন। ২০২০ সালে মোট ১,৫৫৬ জন (৪২ শতাংশ) প্রার্থীর তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাসের মধ্যে। আর ১,৭৯৪ (৪৮ শতাংশ) পরীক্ষার্থীরা স্নাতক বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস-এর তথ্য অনুসারে, ৩২২ জন প্রার্থী সাক্ষর, আর ১৫ জন প্রার্থী নিরক্ষর। ৩২ জন প্রার্থী জানিয়েছেন তাঁরা ডিপ্লোমাধারী। আর ৩ জন প্রার্থী হলফনামায় তাঁদের শিক্ষার বিবরণ ঘোষণা করেননি।

এবারের নির্বাচনের ৩,৭৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৭২২ প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস। তারা জানিয়েছে যে ৯০০ জন প্রার্থী স্নাতক, ৩০৬ জন স্নাতক (পেশাদার), ৪৮৯ জন স্নাতকোত্তর ও ৯৯ জন ডক্টরেট করেছেন। পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি জেডি (ইউ) দলের, ১০ জন। তারপর রয়েছে বিজেপি, তাদের ৯ জয় প্রার্থী ডক্টরেট করেছেন। আরজেডি দলের পিএইচডি ধারী ৮ জন, এলজেপি-র  ৭ জন, বহুজন সমাজবাদী পার্টির ৪ জন এবং কংগ্রেসের ৩ জন। এছাড়া নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ২৫ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

স্নাতক ডিগ্রিধারীদের তালিকায় রয়েছেন আরজেডির ৪১ জন, এলজেপির ৩৯ জন, বিজেপি-র ৩০ জন, জেডি (ইউ)-এর ২৭ জন, কংগ্রেসের ২৪ জন, এনসিপি-র ১৮ জন এবং বসপা-র ১৭ জন। নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে ২৯১ জন জানিয়েছেন তাঁরা স্নাতক। আর স্নাতোকোত্তরদের তালিকায় আছেন আরজেডি-র ১৮ জন, এলজেপি-র ২০ জন, বিজেপি-র ১৬ জন, জেডি (ইউ)-র ২৪ জন, কংগ্রেসের ১৪ জন, এনসিপি-র ১৮ জন এবং বিএসপি-র ৫ জন প্রার্থী।