বৃহস্পতিবার বিজেপির যুব মোর্চার নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার বেধেছিল। কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। নবান্নমুখী বিজেপি কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে কলকাতা পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের গোলাও। যুব মোর্চার কর্মসূচি হলেও বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ বেশ কয়েকজন বড়মাপের বিজেপি নেতা এইদিনের অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। আর মিছিলের পর কৈলাস বিজয়বর্গীয় কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা ছোঁড়ার গুরুতর অভিযোগ করলেন।
 
এশিয়ানেট নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে আজ বিজেপি মমতা সরকারের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে একটা কার্যকরী আন্দোলন শুরু করেছে। পুলিশের বাড়াবাড়ি ও ভাঙচুরের সামনে রুখে দাঁড়িয়েছিল বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ হিংস্র হয়ে উঠেছিল। লাঠিচার্জ করেছে, গুন্ডাদের সঙ্গে মিলে পাথর ছুঁড়েছে। আমাদের ১৫০০ কর্মী এবং অনেক নেতা আহত হয়েছেন। তবে আমরা মমতা সরকারের সামনে একটি কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছি। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তবে মমতাজি, আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে হিংসাত্মক প্রতিবাদে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করেছেন'।

এশিয়ানেট নিউজকে দেওয়া সাক্ষাতকারে পুলিশের বিরুদ্দে পাথর ছোড়ার অভিযোগ করলেও পরে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিন্দিতে লেখা এক টুইটে কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে বৌমা ছোড়ার অভিযোগ করেন। সেইসঙ্গে একটি একটি ভিডিও ক্লিপিং-ও পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'বিজেপি আন্দোলনে কলকাতা পুলিশ টিএমসির গুন্ডাদের মতো আচরণ করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমা নিক্ষেপ করার অভিযোগ করেন তিনি। সরকারের উস্কানিতেই পুলিশ তা করেছে বলে দাবি করেছেন বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও জানান, পুলিশের হামলায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১৫০০-রও বেশি কর্মী আহত হয়েছেন।