সব জল্পনার অবসান। কংগ্রেস ছেড়ে জ্য়োতিরাদিত্য় সিন্ধিয়া বিজেপিতে যোগ দিতেই পেলেন রাজ্যসভার প্রার্থীপদ। সিন্ধিয়া বাদে আরও আটজনের নাম রাজ্য়সভার প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। 

এরা হলেন, অসম থেকে ভুবনেশ্বর কলিতা, বিহারের বিবেক ঠাকুর, গুজরাতের অভয় ভরদ্বাজ ও রমিলাবেন বারা, ঝাড়খণ্ডের দীপক প্রকাশ, মণিপুর লিএসেংবা মহারাজা, মহারাষ্ট্রের উদয়না রাজে ভোঁসলে ও রাজস্থানের রাজেন্দ্র গেহলট। শোনা যাচ্ছে, রাজ্যসভায় সিন্ধিয়াকে পাঠাতে চাইছিলেন না কমল নাথ। এই নিয়ে দুজনের মধ্য়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগায় বিজেপি। যার ফল স্বরূপ আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্য়সভার প্রার্থীপদ পেলেন সিন্ধিয়া। 

৩১ বছর বয়সে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন সিন্ধিয়া। এরপর প্রথম ও দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদও সামলেছেন তিনি। তাই তাঁকে ঘিরে বিশেষ উৎসাহ ছিল অমিত শাহ, মোদী ব্রিগেডের। 

এদিকে এপ্রিলেই মেয়াদ ফুরোচ্ছে ১৭ রাজ্য়ের ৫৫ জন রাজ্য়সভার সাংসদের। মেয়াদকাল ফুরোনোর  আগেই ২৬ মার্চ ফের হতে চলেছে রাজ্য়সভার ভোট। এমনই ঘোষণা করেছে নির্বাচন  কমিশন। ৬ মার্চ জারি করা হবে বিজ্ঞপ্তি। তার আগেই চলতি বছরে রাজ্য়সভার নির্বাচনের খুঁটিনাটি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বিবরণ বলছে, বিজ্ঞপ্তি জারির  পরই ১৩ মার্চের মধ্য়ে মনোনয়ন জমা দিতে হবে প্রার্থীদের। 

বাংলা থেকে এপ্রিলেই রাজ্য়সভা সাংসদের মেয়াদকাল ফুরোচ্ছে ৫ সাংসদের। যাদের  মধ্য়ে নাম রয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়, আহমেদ হাসান ইমরান,মনীশ গুপ্ত, যোগেন চৌধূরী ছাড়়াও তৃণমূলের কানওয়ার দীপ সিংহের। দল নতুন করে মনোনীত করলে বাকি রাজ্য়ের প্রার্থীদের সঙ্গে ১৬ মার্চের মধ্য়ে এদের মনোনয়নের স্ক্রুটিনি করবে কমিশন। এরপরই ২৬ মার্চ ভোটপর্ব।

আগামী ২ এপ্রিল মেয়াদকাল ফুরোচ্ছে বাংলার ৫ সাংসদের। আগে বাম সাংসদ থাকলেও এখন তৃণমূলে রয়েছেন রাজ্য়সভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এই তালিকায় রয়েছেন আহমেদ হাসান ইমরান ছাড়াও কানওয়ার দীপ সিং বা  কেডি সিং। রাজ্য়সভার সাংসদ পদে থাকলেও বহুদিন ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে কানওয়ার দীপ সিংয়ের। নারদা স্টিং অপারেশনে পুরো পরিকল্পনা কানওয়ারের  মস্তিস্কপ্রসূত বলেই দাবি  করেছেন অনেকে। এরপর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব  বেড়েছে কেডি সিংয়ের। 

এই জায়গায়  ইতিমধ্য়েই রাজ্য়সভায় তৃণমূলের চার প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা হলেন দীনেশ ত্রিবেদী, সুব্রত বক্সি, অর্পিতা ঘোষ ও মৌসম নূর। দলের চার প্রার্থীর মধ্যে যে দুই জন মহিলা প্রার্থী সেদিকেও বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।