উত্তর সীমান্তে ক্রমশই সেনা বাড়াচ্ছে ভারত। পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ চিনের ক্রমাগত উস্কানিমূলক আচরণের জবাব দিতে। সূত্রের খবর, পারমানবিক শক্তিধারী দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বার হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশই বাড়ছে ভারত চিন সীমান্তের উত্তেজনা। 

চিন ইতিমধ্যেই লাদাখ সীমান্তে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে। একইসঙ্গে যুদ্ধযানও জড়ো করা হয়েছে। যারমধ্যে যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্কারও রয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভারতী সেনার এক আধিকারিক জানিয়েছেন সমসখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে ভারতও। চিনের ক্রমাগত আক্রমণ বন্ধ করতে ভারতীয় সেনাদের হাতেও আধুনিক অস্ত্র দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খাবর ভারত চিন সীমান্ত বরাবর লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকায় জুড়েই টহল বাড়িয়েছে ভারতীয় সেনা। 

চলতি মাসের প্রথম দিক থেকেই পূর্ব লাদাখ সীমান্ত উত্তেজনা বাড়ে থাকে। এই পরিস্থিতিতে পানগং তসো লেক ও  নদী তীরবর্তী এলাকায় দুই দেশের সৈন্যদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ভারত চিন দুই দেশের সেনা বাহিনী একে অপরের দিকে চোখ রেখে প্রতীক্ষা করছে যুদ্ধের। গত ২২ ও ২৩ মে ভারতী ও চিন সামরিক বাহিনীর কর্তাদের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে। নয়াদিল্লি ও বেজিং কূটনৈতিক আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি। ১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধের পর থেকেই সীমান্ত সমস্যা থেকে গেছে দুই দেশের মধ্যে। 

তবে ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা সমাধান করতে ইতিমধ্যেই মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে সীমান্ত পরিস্থিতিত নিয়ে রীতিমত তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীও। তবে  মঙ্গলবারই সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মিকে যুদ্ধের জন্য সবরকম ভাবে তৈরি থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট সি জিংপিং।