দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে এবার বাড়ির মালিক রেহান ও ম্যানেজার রুকহামকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছিল পুলিশ।  দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধেও একটি মামলা করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ডিসিপি নর্থ মনিকা ভরদ্বাজ জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে আর কোনও দেহ উদ্ধারের সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই।

রবিবার সকালে দিল্লির রানি ঝাঁসি রোডে আনাজমান্ডির ভিতর এক কারখানায় ভোররাতে আগুন লাগে। বিধ্বংসী আগুনে মরতে হয়েছে ৪৩জন শ্রমিককে। বহু ধোঁয়ায় দম আটকে গুরুতর আহত অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন হাসপাতালে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন শুরু হয়েছে আগুন লাগার কারণের অনুসন্ধান।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ইলেকট্রিক লাইনে শর্ট সার্কিট হয়ে, তার থেকেই আগুন লাগে কারখানার ভবনটিতে। তবে শুধু কারণ অনুসন্ধান নয়, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী জানিয়েছে উদ্ধারকাজও চলছে এখনও। এনডিআরএফ-এর ডেপুটি কমান্ডান্ট আদিত্য প্রতাপ সিং জানিয়েছেন, ভবনের প্রতিটি জায়গায় তন্নতন্ন করে খোঁজা হচ্ছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, তিনি এই ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট স্তরের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ঘুরিয়ে কেজরি প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলেছেন, বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর। নাম না করে তিনি বলেছেন, 'কাউকে তো ঘটনার দায় নিতেই হবে'।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ৬০০ স্কোয়ার ফিটের মতো জায়গায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। নিকশ কালো এই জায়গায় মূলত, প্লাস্টিকের জলের  বোতল, স্কুল ব্যাগ ছাড়াও অন্যান্য় বস্তু মজুত করা ছিল। সেখান থেকে আগুন লেগেই এই বিপত্তি।