এক লহমায় খরচ করে ফেললেন ২০ লক্ষ টাকা। তাও আবার মধ্য প্রদেশ থেকে দিল্লি পৌঁছে যাওয়ার জন্য। গত সোমবারই এই ঘটনা ঘটে। আর বৃহস্পতিবার  রীতিমত হৈচৈ পড়ে যায়। মধ্য প্রদেশের এক ব্যবসায়ী তাঁর মেয়ে আর মেয়ের দুই সন্তানকে দিল্লি পাঠাতে একটা আস্ত এরোপ্লেনই ভাড়া করে নিয়েছিলেন। ১৮০ সিটের ওই প্লেনের চালক মাত্র চার জন যাত্রী নিয়েই রওয়া  দিয়েছিলেন দিল্লির উদ্দেশ্যে। সূত্র খবর লকডাউনের কারণে ভূপালের এক ব্যবসায়ীর মেয়ে প্রায় দুমাস আটকে পড়েছিলেন। তাই বিমান পরিষেবা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়ে, দুই সন্তান ও পরিচারিকাকে দিল্লি পাঠাতেই প্লেন ভাড়া করেছিলেন ওই ব্যবসায়ী। 

তবে মধ্যপ্রদেশের রাজাভোজ বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। শুধু এটুকুই জানান হয়েছে এক ব্যক্তি নিজের ব্যবহারের জন্য এ৩২০ বিমানটি ভাড়া করেছিলেন। তবে চিকিৎসাকালীন কোনও জরুরি পরিষেবার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টি নিয়ে আর কিছু জানান হবে না বলেও বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছেন বিমান বন্দরের ডিরেক্টর অনিল বিক্রম। 

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিমান বন্দর ও বিমানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়িয়ে নিজের মেয়ে ও নাতি নাতনিকে নিরাপদে দিল্লি পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন লিকার ব্যারন। প্রায় ২ মাস বন্ধ থাকার পরই গত সোমবার অর্থাৎ ২৫ মে থেকে আন্তর্দেশীয় উড়ান পরিষেবা শুরু হয়েছে দেশে।