কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিএস ইয়েদুরাপ্পা সরকারের সংখ্যাগরীষ্ঠতা প্রমাণের জন্য একসপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে বিজেপির সংখ্যাগরীষ্ঠতা প্রমাণে সমস্যা হওয়ার কথা নয় বে পাল্টে যেতে পারে এই অবস্থাটা

শুক্রবার চতুর্থবারের জন্য কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সেই রাজ্যের বিজেপি সভাপতি বিএস ইয়েদুরাপ্পা। চতুর্থবার তিনি ক্ষমতা পেলেন এক নাটকীয় পরিস্থিতিতে। কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের পক্ষে থাকা ১৮ জন বিধায়ক কুমারস্বামী সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নেয়। ফলে আস্থাভোটে পরপাজয় ঘটে কুমারস্বামীর। এইবার সাতদিনের ইয়েদুরাপ্পার সামনে সরকারের সংখ্যাগরীষ্ঠতা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এমনিতে এই মুহূর্তে কর্নাটক বিধানসৌধের যা অবস্থা তাতে বিজেপির অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। মোট ২২৪ আসনের সভায় বিজেপির হাতে রয়েছে ১০৫ জন বিধায়ক। এক নির্দল বিধায়কও ইয়েদুরাপ্পা সরকারকে সমর্থন দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফলে তাদের হাতে মোট ১০৬টি ভোট রয়েছে। ফলে একক সংখ্যাগরীষ্ঠ দল না হলেও বিজেপিরই শক্তি সবচেয়ে বেশি। সংখ্যাগরীষ্ঠতা প্রমাণে বিজেপির লাগবে ১১২টি ভোট।

বিদ্রোহী বিধায়কদের মধ্য়ে ইতিমধ্যেই তিনজনকে বিধঝায়সভায় অযোগ্য করেছেন স্পিকার কেআর রমেশ কুমার। ফলে বিধানসভার শক্তি কমে দাঁড়িয়েছে ২২১'এ। বাকি ১৪ জন বিদ্রোহী বিধায়কের ভবিষ্যত এখন ঝুলে রয়েছে। তাঁরা যদি ভোটদানে বিরত থাকেন, সেইক্ষেত্রে কর্নাটক বিধানসভার শক্তি কমে দাঁড়াবে ২০৭। সেই ক্ষেত্রে বিজেপির সংখ্যাগরীষ্ঠতা প্রমাণে লাগবে ১০৪টি ভোট। যা বিজেপির হাতে এখনই রয়েছে।

আর বিদ্রোহীরা যদি ইয়েদুাপ্পা সরকারে পক্ষে ভোট দেন, তাহলে তো বিজেপির পোয়াবারো। সেইক্ষেত্রে কক্ষে বিজেপির শক্তি দাঁড়াবে ১২০। হাসতে হাসতে সংখ্যাগুরু দল হিসেবে সরকারে থাকবে বিজেপি।

এরপরেও একটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে বিদ্রোহীদের মন্ত্রীত্বের চোপ দেওয়া হয়েছিল বিজেপির পক্ষ থেকে। কিন্তু, তা কতটা রাখা সম্ভব হবে বিজেপির পক্ষে তাই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। কারণ বিদ্রোহীদের সহব পদ দিয়ে দিলে দলের অন্দরেই বিদ্রোহ শুরু হয়ে যেতে পারে। আর বিদ্রোহীরা পদ না পেলে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে ফের দলে ফিরিয়ে আনতে পারে কংগ্রেস-জেডিএস। যদি বিদ্রোহীরা ফের কংগ্রেস-জেডিএস'কে সমর্থন দেন, তাহলে কিন্তু আবার এই দক্ষিণী রাজ্য়ে মুখ পুড়বে বিজেপির।