কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে ৭২ দিন ধরে চলছ কৃষক আন্দোলন। যা নিয়ে ক্রমশই চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এই অবস্থায় কৃষি বিল নিয়ে  রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রীতিমত নিশানা করেন কংগ্রসকে। পাশাপাশি তিনি বলেন আন্দোলনকারী কৃষকদের কথা বিবেচনা করে সরকার যদি কৃষি আইনে সংশোধন আনে তবে তার অর্থ এই নয় যে বর্তমান আইনে কোনও সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, কোনও একটি বিশেষ রাজ্যের লোকেদের বাসিন্দাদের ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। 

নরেন্দের সিং তোমরের নিশানায় এদিন প্রথম থেকেই ছিল কংগ্রেস। নতুন কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের বিভ্রান্ত করার জন্যই জমি দখলের তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁকে দেখাতে হবে নতুন আইনে এমন কোনও বিধান রয়েছে যেখানে কৃষকদের জমি ছিনিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন নূন্যতম সহায়ক মূব্য কৃষকদের আন্দোলনের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এটি উৎপাদন ব্যায়ের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি হারে সরবরাহ করা হয়েছে। কেন্দ্র নিশ্চিত করেছে যে প্রযোজনীয় বিনিয়োগ করা হবে কৃষি ক্ষেত্রে। তিনি আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের আয় দ্বিগুণ করার আর দেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান দ্রুত বাড়ানোর বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। 

কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে তিনি বলেন, সকলেও জানে যে কৃষি কাজের জন্য জলের প্রয়োজন। কিন্তু একমাত্র কংগ্রেসই খুনের চাষ করার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায় কংগ্রেস খুন কি ক্ষেতি করার অনুশীলন করছেন। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কেবল মাত্র একটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিক্ষোভকারী কৃষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছে নতুন আইনগুলি নূন্যতম সমর্থন মূল্যের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্পোরেটদের করুণার পাত্র হয়ে থাকতে হবে কৃষকদের। আর সেই কারণেই কৃষি ইউনিয়নগুলি তিনটি আইন প্রত্যাহার কার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।