৩০০ টি পণ্যের উপর বাড়তে পারে আমদানি শুল্ক অথবা জারি হতে পারে বিধি নিষেধ। তবে শুধু চিনের নয়, দেশিয় শিল্পকে রক্ষা করতে বেশ চিন-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি পণ্যের ক্ষেত্রেই এই পরিকল্পনা করছে মোদী সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে পরিকল্পনাটির সঙ্গে সাম্প্রতিক ভারত-চিন সংঘর্ষের সম্পর্ক নেই বলেই জানা গিয়েছে। এপ্রিল মাস থেকেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা সরকারের পর্যালোচনায় ছিল।

নতুন শুল্ক কাঠামো পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে চিহ্নিত করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই বিষয়ে অবশ্য ভারতের অর্থ বা বাণিজ্য মন্ত্রক থেকে এখনও কিছু মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রটির দাবি, ১৬০ থেকে ২০০টি পণ্যে আমদানি শুল্ক বাড়ানো হবে। আরও ১০০টি পণ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অশুল্ক বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। অপ্রয়োজনীয় নিম্নমানের আমদানি রোধ করাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য। এতে করে ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানিকে বন্ধ হতে পারে।

আরেকটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পরিকল্পনার আওতায় থাকা পণ্যগুলির মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স এবং কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। এছাড়া এয়ার কন্ডিশনার-এর মতো কিছু পণ্যে শুল্ক না বাড়ালেও তাদের ক্ষেত্রে কড়া মান পরীক্ষা হতে পারে।

২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নরেন্দ্র মোদী স্থানীয় উৎপাদন প্রচার ও সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছিলেন। সেই সময় 'মেক ইন ইন্ডিয়া' নামে তিনি একটি প্রচার প্রকল্প চালু করেছিলেন। কোভিড পরবর্তী সময়ে গত মাসে তিনি প্রায় একই বক্তব্যের নতুন একটি প্রচারের ঘোষণা করেছিলেন, 'আত্মনির্ভর ভারত'।