গালওয়ান নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে বা প্রবাহ বন্ধ করতে মরিয়া চিন।  নদীর গতিপথ আটকাতে ফেলা হয়েছে প্রচুর বুল্ডোজার এনে ফেলা হয়েছে পাথর। তেমনই জানাযাচ্ছে একটি সূত্রে। সোমবার রাতে যেখানে যুদ্ধ হয়েছিল এই এলাকা তারথেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। এক কিলোমিটারের মধ্যেই এই ভয়ঙ্কর কাণ্ডকারখানা ঘটিয়েছে চিন। বুধবার রাতে এই এলাকাতেই হয়েছিল সামরিক বৈঠক। এটি গালওয়ান উপত্যকার ১৪ নম্বর পেট্রোল পয়েন্টের খুবই কাছে। কিন্তু দফায় দফায় বৈঠক হলেও এখনও পর্যন্ত সেনা বাহিনী সরাতে কোনও রকম উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বেজিং। 

স্য়াটেলাইট ইমেজে ধরা পড়েছে এমনই একটা ছবি যেখানে দেখা যাচ্ছেন রয়েছে নদীর গতিধারার স্পষ্ট চিহ্ন। কিন্তু নদীতে কোনও জল নেই। স্রোতধারায় কাদাময়। নদীর ওপরেই নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে চিন।  গালওয়ান উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার প্রায় দুকিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্রাকগুলি। স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সেগুলি শুকনো নদীর ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফ থেকে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রের খবর গত  ২৯ মে থেকেই গ্যালওয়ান নদীর ওপরে চিন নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে  প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংলগ্ন এলাকায় চিনা বাহিনীর ট্রাক, সাঁজোয়া গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। তুলনায় ভারতের সমর যান অনেকটাই কম। স্যাটেলাইট ইমেজে স্পষ্ট হচ্ছে চিন প্রচুর পরিমাণে বুল্ডোজার বহন করছে গালওয়ানউপত্যকায়। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার বিস্তৃত চিনের সামরিক কনভয়। বেশ কয়েকটি জায়গায় তাবুও ফেলা হয়েছে। তবে ভারতে অবস্থিত চিনা রাষ্ট্রদূতের অফিস থেকে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলা হয়নি। 

করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শেষ বিদায় লাদাখের শহিদ সন্তোষ বাবুকে, চোখে জল আট থেকে আশির ...

লাদাখ নিয়ে রাহুলের মন্তব্যকে হাতিয়ার করতে পারে চিন, কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপির ...

একটি সূত্র জানাচ্ছে সোমবার রাতে ভারত ও চিনের প্রায় শতাধিক সৈন্য সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। চিনা সৈন্যরা ভারতীয় জওয়ানদের নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল বলেও অভিযোগ। প্রবল ঠাণ্ডায় মৃত্যু হয় তাদের। কিন্তু নদীতে তো জলই নেই। তাই প্রশ্ন উঠছে চিনা সেনাদের মধ্য যুগীয় নৃশংসতায় প্রবল আগেই কী মৃত্য হয়েছে ২০ জওয়ানের। অন্যদিকে চিনা সেনারা কাঁটার লাঠি ব্য়বহার করে ভারতীয় জওয়ানদের পিটিয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠে। গুরুতর জখম অবস্থায় এখনও জওয়ানদের চিকিৎসা চলছে সেনা হাসপাতালে। 

চলতি মাসের শেষেই ভারতের বাজারে আসছে রেমডেসিভির, করোনা যুদ্ধ কি আরও সহজ হবে ...