২০২১ সালের মধ্যেই আসছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। আগামী বছর শুরুর দিকে দেশে ছড়িয়ে পড়বে করোনাভাইরাসের টিকা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষবর্ধন, এই নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকও বসিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বিষয়। তিনি জানান, যে বিভাগগুলিকে প্রথমে করোনা ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা বেশি সেই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধেতির মাধ্যমে সমস্তকিছুর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। 

তিনি আরও জানান, এই বিষয় আমেরিকার যে রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলি নিয়ে লাগাতার অধ্যায়ন করা হচ্ছে। ডিজিটাস প্ল্যাটফর্মগুলিও সেভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যামিনিস্ট্রেশন ডাঃ ভি কে পালের নেতৃত্বে চলছে। তিনি জানান, কীভাবে দেশে এই ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে সেই বিষয় পরিকল্পনা করা হচ্ছে। উচ্চ স্তরের এই প্যানেলটিতে রয়েছেন এআইএমএসের পরিচালক ডাঃ রণদীপ গেলকিয়া, বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রণলয়ের প্রতিনিধি, বায়োটেকনোলজি, তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা পরিচালক, ভারতের এইডস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল রিসার্চ কাউনসিল এবং রাজ্যগুলির প্রতিনিধিরা। 

তাঁর কথায়, "জনসংখ্যার সেই বিভাগগুলির ভ্যাকসিনের অধিকার প্রথমে পাবে যাদের এই মুহূর্তে এর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। সিডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং WHO-এর পরাপর্শের ভিত্তিতেই এই বিতরণ করা হবে।" করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সর্বপ্রথম পৌঁছে যাবে যাদের কাছে এর প্রয়োজনীতা বেশি। স্বাস্থ্যকেন্দ্র এই বিষয় আগামী মাস অর্থাৎ নভেম্বরের মধ্যে একটি তালিকা তৈরি করবে যার ভিত্তিতেই করোনা ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে।