কলকাতা থেকে সামান্য দূরে রয়েছে করোনা ভাইরাস। এবার কেরলে প্রমাণ মিলল এই ভাইরাসের। উওহান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষারত এক ছাত্রের শরীরে এবার প্রমাণ মিলল করোনা ভাইরাসের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই  বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকদিন আগেই চিন থেকে ভারতে ফেরা  তিনজন ভারতীয়কে দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনজনেই সর্দিকাশি জনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আসে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের সুপারিন্টেনডেন্টে মীনাক্ষি ভরদ্বাজ। যেহেতু সর্দি-কাশির উপসর্গগুলি করেনা ভাইরাসের সঙ্গে মেল তাই তাদেরকে স্পেশাল কেয়ারে রাখা হয়েছে। তাদের রক্তের নমূনাও পাঠানো হয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল ফর টেস্টিং-এ।

আরও পড়ুন-করোনা ভাইরাসের আতুঁড়ঘর চিন, বন্ধ হল বিমান পরিষেবা ভারত-চিনের...

 

কেরলে আক্রান্ত করোনা ভাইরাসের রোগীকে হাসপাতালে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৪ দিনের জন্য একটি পৃথক ঘরে ঘুমানো উচিত, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আলাদা রাখা উচিত এবং দর্শনার্থীদের এড়ানো এবং কারও সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়ানো উচিত। এবং ঠান্ডার লাগার প্রবণতা দেখলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন। কোনও ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা উচিত।

 

করোনা ভাইরাস। নামটা শুনলেই প্রত্যেকেই যেন আতঙ্কিত। করোনা আতঙ্কে ইতিমধ্যেই ভয়ে কাঁপছে চিন। মুহূর্তের মধ্যে একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।  করোনা ভাইরাসের বাহক হল মানুষ। মানুষের সংস্পর্শেই সংক্রমিত হচ্ছে এই করোনা ভাইরাস । মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই ছড়িয়ে যাচ্ছে এই রোগের জীবানু।  যত দিন যাচ্ছে ততই যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। নিঃশব্দেই শরীরে দানা বাঁধছে এই মারণ রোগ।  করোনা ভাইরাস যখন ধরা পড়বে তখন মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবেন আপনি। ভয়াবহ এই মারণ রোগ আটকাতে ইতিমধ্যেই তৎপর সমস্ত দেশ।