ভারতে নভেল করোনভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩-এ পৌঁছেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস সংক্রমণ-কে 'প্যানডেমিক' অর্থাৎ বিশ্বব্যপী মহামারী-র আখ্যা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার, কোনও আশার কথা শোনাতে পারল না ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ। এদিন তারা বলেছে তারা করোনাভাইরাস-এর কোষকে কে আলাদা করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের কাছে এইরকম ১১ বিচ্ছিন্ন করা কোষ রয়েছে। তবে এই ভাইরাসের টিকা তৈরি করতে এখনও দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবে বলে সাফ জানিয়েছে তারা।

এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম-সচিব লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, ভারতে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯'এ ৭৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন (বিকেলে অবশ্য অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের আরও দুই রোগীর কথা জানা গিয়েছে)। এদের মধ্যে ৫৬ জন ভারতীয় এবং ১৭ জন বিদেশি। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রক ফের ভারতীয় নাগরিকদের অ-প্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তার আগে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব এখন ভারতে একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

এখনও পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ১২৪টি দেশে করোনাভাইরাস সমংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ভারত ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত পর্যটন ভিসা বাতিল করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইউরোপিয় ইউনিয়নের দেশগুলি থেকে আমেরিকায় ভ্রমণ একমাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। এদিন এর ফলে বিশ্বব্যপী শেয়ার বাজারে ধস নামে। বিএসই সেন্সেক্স এদিন ৩১.১ শতাংশ কমে ৩৩,৮৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর-এর পর এটাই সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থান। এনএসই নিফটি ৫০ সূচকটিও ১০,০০০ এর নিচে নেমে গিয়েছে।