করোনাভাইরাসের টিকা প্রদানে সরকারি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হবে পুনের সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া। সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি হওয়া প্রতিষেধক সরকারের মাধ্যমেই নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সংস্থার কর্তারা। আর তাই যদি হয় তাহলে করোনার প্রতিষেধকের জন্য ভারতীয়দের কোনও টাকাই গুণতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই প্রতিষেধক পাবেন দেশের প্রত্যেক নাগরিক। 

সেরাম ইন্সটিটিউটের কর্ণধার আদার পুনাওয়ালা জানিয়েছেন তাঁর সংস্থা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই বেশি প্রতিষেধক তৈরি করেছে। ইতিমধ্যেই বিষয়েটি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কথোপকথন হয়েছে। একবার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রত্যেকের হাতেই তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা বিলি করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অস্কফোর্ড ও সহযোগী অ্যাস্ট্রোজেনেকা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করছে। যা ইতিমধ্যেই মানব দেহে প্রয়োগ করা হয়েছে। আর সেই ভ্যাক্সিন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুনের সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটকে। প্রতিষেধক তৈরিতে এই সংস্থাটির সুনাম রয়েছে বিশ্বব্যাপী। 

সোমবার সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে দেশের মানুষকে এই প্রতিষেধক আর বাজার থেকে কিনতে হবে। একবার প্রতিষেধকের ট্রায়াল সম্পূ্র্ণ হলে তা যদি সফল হত তবে খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষেধকটি বাজারে নিয়ে আসা হবে। সরকারই এটি সংগ্রহ করে বিরতণ করবে। যাতে লোকেদের সরাসরি এটি কিনতে না হয়। 


রবিবারই সোশ্যাল মিডিয়ায় আদার পুনেওয়ালা এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছিলেন তাঁর সংস্থা  পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রতিষেধক তৈরি করতে সক্ষম। তাই বিশ্ব যতসংখ্যক পার্সি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ রয়েছে তাঁরা সকলেই  পাবেন। পরে তিনি আরও জানিয়েছেন এটি দুই পার্সি বন্ধুক কথোপথন। একবার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে তা সবাই পাবেন। 

এসআইআই প্রতিষেধক তৈরির আগেই ভারতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরু করার বিষয়ে আশাবাদী সংস্থাটি। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে অগাস্ট মাসের শেষের দিকে পুনে ও মুম্বইয়ে চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষেক ক্নিলিক্যাল ট্রায়ালের অঙ্গ হিসেবে টিকা প্রদান করা হবে।