করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে কিছুটা হলেও ফিঁকে হয়ে যাবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যেকটি রাজ্যকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় জমায়েত না করার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি রাজ্যকেই বলা হয়েছে অনুষ্ঠানের দিন যেন পুরোমাত্রায় নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকে। করোনা যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি যাঁরা করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছে তাঁদেরও আমন্ত্রণ জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে বিশেষভাবে বলা হয়েছে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা যেন প্রত্যেকেই যেন স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলেন। 

স্বাধীনতার দিবসের অনুষ্ঠানের সতর্কতা জারি করে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর সেখানে বলা হয়েছে, মহামারীর এই সংকটজনক সময় চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তাই স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান তাঁদের আমন্ত্রণ জানান অত্যান্ত জরুরি। অনুষ্ঠানের দিন ভিড় এড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিতে। রাজ্যগুলিকে ভার্চুয়াল মাধ্যমের ওপর নির্ভর হতে আহ্বান জানান হয়েছে। জনসংযোগ এড়িয়ে অনুষ্ঠান করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যাঁরা মহামারীকে জয় করেছেন তাঁদেও আমন্ত্রণ জানাতে বলেছে মন্ত্রক। তাঁরা সাধারণ মানুষকে তাঁরা উৎসাহিত করতে পারবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রথা মেনেই দিল্লির লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সশস্ত্র বাহিনী ও দিল্লি পুলিশের গার্ড অব অর্নার নেবেন তিনি। প্রথা মতই পালন করা হবে রাষ্ট্রপতি ভবনের অ্যাট হোম সংবর্ধনা। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশিকা পাঠান হয়েছে। রাজ্যস্তরের অনষ্ঠান শুরু হবে সরকাল। রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে মুথ্যমন্ত্রীরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন।