ঘূর্ণীঝড় তাউতে-র আছড়ে পড়ের সময় বদলে যেতে পারেয আবহাওয়া দফতরের পূর্বভাস সোমবার রাতের দিকে গুজরাতের পোরবন্দর ও মহুভার উপকূলের মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়়ে পড়তে পারে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার। এদিন সকালে সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘূর্ণী ঝড়ের অবস্থান ছিল মুম্বই থেকে মাত্র ১৪৫ কিলোমিটার দূরে। ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়টি স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে বলেও জানিয়ে আইএমডি। 

ঘূর্ণী ঝড়ের রক্তচক্ষুর কারণে মুম্বইতে প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কার রয়েছে। মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে  ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ঘূর্ণী ঝ়ড়ের কারণে আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মুম্বই বিমান বন্দর। উপকূলবর্তী এলাকা দিয়ে চলা বান্দ্রে ওরলি মনোরেলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মুম্বইয় ও সংলগ্ন এলাকার উপকূলবর্তী ও নিচু এলাকা থেকে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘূর্ণী ঝড়ের কারণে এদিন মুম্বইতে বন্ধ রয়েছে টিকা কর্মসূচি। আগামিকাল থেকে এই কর্মসূচি পুণরায় শুরু হবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন। থানে ও পাল ঘর জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২০ সেন্টিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হবে বলেও সতর্কতার জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণীঝড় তাউতে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 


রাতের দিকে ঘূর্ণী ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে গুজরাতে। আর সেই কারণে প্রবল সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।  গুজরাতে জাতীয় বিপর্যয়  মোকাবিলা ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনীর ৫৪টি দল কাজ করেছে।  শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। বিলি করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রীও। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানী রাজ্যের সকল নাগরিককে বাড়িতে থাকতে আবেদন জানিয়েছেন। প্রয়োজন ছাড়া কোনও ব্যক্তি যাতে বাড়ির বাইরে না বার হন সে দিকে প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন। কোভিড হাসপাতালগুলিতে বিশেষ বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ যাতে অব্যাহত তাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন।