হরিয়ানায় গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের পর সকলকে চমকে দিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন জননায়ক জনতা পার্টির প্রধান দুশ্যন্ত চৌটালা। নির্বাচনের প্রচার পর্বে পুরো সময় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলে, শেষে তাদেরই হাত ধরাতে তাঁকে বিশ্বাসঘাতকের বদনামও কুড়োতে হয়েছিল। এবার নতুন বছরের প্রথম নির্বাচন আসতেই বোঝা গেল কেন সেইদিন শিবির বদল করেছিলেন তিনি।

৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ৭০ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাঁড়াচ্ছেন নয়াদিল্লি আসন থেকে। কিন্তু, বিজেপি এখনও পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেনি। কারণ শোনা যাচ্ছে অন্তত ১২টি আসন তাদের দিতে হবে বলে দাবি করেছেন দুশ্যন্ত চৌটালা। অর্থাৎ বিজেপিকে ধরেই ধীরে ধীরে হরিয়ানার চৌহদ্দি পেরিয়ে অন্যান্য রাজ্যেও জেজেপি-কে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।

এই দাবিতে সম্মতি আছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা মনোহরলাল খট্টরেরও। ইতিমধ্যেই একবার বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেছেন চৌটালা। বুধবার রাতে আরও একপ্রস্থ আলোচনা হওয়ার কথা। শোনা যাচ্ছে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতারা ৬টি পর্যন্ত আসন ছাড়তে রাজি হতে পারেন। তবে বাধ সাধছেন দিল্লি বিজেপির কিছু নেতা। তারা একটি আসনের ভাগও দিতে রাজি নন।

তবে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতারা তাঁদের ওজরে কান নাও দিতে পারেন। এমনিতেই বিভিন্ন ভোট পূর্ববর্তী সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে দিল্লিতে বিজেপির খুব বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই অবস্থায় দরাদরি না করে চৌটালা যতগুলি আসন চান ততগুলিও তাঁরা দিতে রাজি হয়ে যেতে পারেন। তাতে পরাজিত হলে অন্তত ওই আসনগুলিতে দলের মুখ পুড়বে না। আর নাহলে হরিয়ানাতেও সরকার পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।