সোমবার সকাল থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। অনন্তনাগের শ্রীগুফওয়ারা এলাকায় চলছে তীব্র গুলির লড়াই। জানা গিয়েছে শ্রীগুফওয়ারা এলাকায় সন্ত্রাসবাদীদের একটা দল লুকিয়ে আছে বলে গোপন সূত্রে খবর পেয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর এদিন ভোরে ওই এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছিল। কোনঠাসা হয়ে পড়া সন্ত্রাসবাদীরা সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে, সেই গুলি- পাল্টা গুলি এখনও চলছে।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ বলেছে, এদিন ভোর ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ এই অভিযান শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে এখনও নিরাপত্তা বাহিনী ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াই চলছে। এখনও পর্যন্ত সেনার গুলিতে এক অজ্ঞাত পরিচয় জঙ্গির মৃত্য়ুির খবর পাওযা গিয়েছে। সেনার পক্ষে কোনও হতাহতের খবর এখনও নেই। সংঘর্ষ জারি রয়েছে।

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের সোপোর এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল এক সন্ত্রাসবাদীর। ভারতীয় সেনা ও জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে ওই অভিযান চালিয়েছিল। এদিনের মতোই সোপোরের রেববান এলাকায় সন্ত্রাসবাদী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। সন্ত্রাসীরা যে বাড়িতে লুকিয়েছিল, নিরাপত্তা বাহিনী তা খুঁজে পেতেই সন্ত্রাসবাদীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করেছিল।

এদিকে শনিবারই এক সাংবাদিকক সম্মেলনে মেজর জেনারেল বীরেন্দ্র ভাটস বলেছিলেন, সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর প্রায় আড়াইশ থেকে ৩০০ সন্ত্রাসবাদী উপস্থিত রয়েছে। শনিবারর নওগাম সেক্টরে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা দু'জন সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছিল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। নিহত সন্ত্রাসবাদীদের কাছ থেকে ১২ টি ম্যাগাজিন-সহ দুটি অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি পিস্তল, প্রচুর গোলাগুলি এবং গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছিল। ভারতীয় ও পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় দেড় লাখ টাকাও উদ্ধার হয়েছিল।