'...সাভিকা খুন সামিল হ্যায় ইহাঁ কি মিট্টি মে / কিসি কে বাপ কা হিন্দুস্থান থোরি হ্যায়।' উর্দু কবি রাহাত ফতে ইন্দোরির শায়েরি উদ্ধৃত করে একেবারে টি২০ স্টাইলে লোকসভায় সাংসদ জীবন শুরু করলেন কৃষ্ণনগরের নবনির্বাচিত সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এর আগে এআরসি বা জাতীয় নাগরিক পঞ্জী প্রকাশের পর মমতার নির্দেশে অসমে গিয়েছিলেন এই তৃণমূল নেত্রী। লোকসভার প্রথম ভাষণে সেই এলআরসিকে হাতিয়ার করেই কবিতায় শায়েরি-তে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তিনি।

নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখানোর ইস্যুতে তিনি প্রশ্ন তুললেন নেতা মন্ত্রীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে। তাঁর প্রশ্ন, মন্ত্রীরা যেখানে নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সংশাপত্র দাখিলই করতে পারেন না সেখানে ৫০ বছরের উপর ভারতে বসবাস করা নাগরিকদের কাছ থেকে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওযার অধিকার তাঁরা রেলেন কী করে? এই নাগরিক পঞ্জী আসলে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে নিশানা করার লক্ষ্যেই প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ।

এই প্রসঙ্গেই তিনি এদিন সংসদে তোলেন গণপিটুনির কথাও। প্রথম মোদী সরকারে আমলে ভারতে বিভিন্ন প্রদেশে গণুপিটুনিতে হত্যার প্রবণতা বেড়েছিল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে শুরু করে তফশিলী জাতি উপদাতি সম্প্রদায়ের মানুষ উপর লাগাতার নেমে এসেছে আক্রমণ। দ্বিতীয় মোদী সরকার আসার পরও সেই মৃত্যু মিছিলে লাগাম লাগেনি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে আরও এক সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায়ের যুবকের মৃত্যু হয়েছে গণপিটুনিতে। এই সমস্ত হত্যার কথা তুলে মহুয়া অভিযোগ করেন বিজেপি সরকার ভারতবর্ষকে অন্ধকার যুগে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।