ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কেরল ও কর্নাটকে। গত দুই দিনে এই দুই রাজ্য়ের ৫৪জন মানুষ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন। আক গুজরাতে গত ২৪ ঘন্টায় বন্া ও অন্যান্য বৃষ্টি সংক্রান্ত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। 

ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কেরল ও কর্নাটকে। গত দুই দিনে এই দুই রাজ্য়ের ৫৪জন মানুষ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন। আক গুজরাতে গত ২৪ ঘন্টায় বন্যা ও অন্যান্য বৃষ্টি সংক্রান্ত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কেরলে বন্য়ার কারণে গৃহহারা হয়েছেন প্রায় ১.২৫ লক্ষ মানুষ। তাদের রাজ্যজুড়ে ছডি়য়ে থাকা ১১১১টি ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারমধ্য়ে শুধু ওয়ানাড় এবং কোঝিকোড়েই ঘর ছাড়তে হয়েছে ৫০ হাজার মানুষকে। বন্যার সঙ্গে উপড়ি যন্ত্রনা হিসেবে রয়েছে ধস। গত ৮ অগাস্ট থেকে অন্তত ৮ জেলার ৮০টি জায়গায় ধস নেমেছে। ধস নামা জায়গা গুলিতে অনেকেই এখনও নিখোঁজ। তাদের সন্ধানের কাজ চলছে। রাজ্যের বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করতে হয়েছে। তবে আশার কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোচি বিমানবন্দর ফের রবিবার দুপুর থেকে চালু হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

কর্নাটকে এখনও পর্যন্ত বন্য়া ও বৃষ্টিতে প্রাণ গিয়েছে ১২ জনের। রাজ্য়ের মোট ১২ টি জেলা আপাতত বন্যার কবলে। তুঙ্গভদ্রা জলপ্রপাতের ব্যাকওয়াটার থেকে শুরু করে বিভিন্ন নদীর জল দুকূল ছাপিয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ কানাড়া জেলার পানে মাঙ্গালুরু নামে একটি গোটা গ্রামই চলে গিয়েছে নেত্রাবতী নদীর জলের তলায়। তবে মুখ্য়মন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা আশ্বাস দিয়েছেন, চিন্তার কারণ নেই, তাঁরা ত্রাণের সবরকম ব্যবস্থা করছেন।

অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মহারাষ্ট্রের কোলাপুর ও সাঙ্গলি জেলায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে প্লাবিত এলাকাগুলি থেকে ধীরে ধীরে জল নেমে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণী গ্রামে একটি নৌকো উল্টে গিয়ে ৯ জডনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় মৃত আরও ৩ জনের দেহ উদ্ধার করা গিয়েচে।