পাঁচ দিনের মার্কিন সফরে রয়েছেন দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন তিনি। একই সঙ্গে কোভিড ১৯ মোকিবালিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন আমেরিকার প্রশাসনকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে করোনাভাইরাসের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে তার জন্যও সাধুবাদ জানিয়েছেন এস জয়শঙ্কর। পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ক্যাথরিন তাই এর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তিনি কথা বলেছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ডিরেক্টর অভ্রিল হাইনেসের সঙ্গেও। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে এস জয়শঙ্কর মার্কিন শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে গুরুপূর্ণ বৈঠকের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত ও আমেরিকা দুটি দেশই যৌথ উদ্যোগে নিরাপত্তা সহ একাধিক চ্যালেঞ্চ মোকাবিলা করবে। অন্যদিকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলভিনের সঙ্গে তাঁর ইন্দো-প্যাসিফির ও আফগানিস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন ভারত-মার্কিন ভ্যাকসিন অংশীদারিত্ব সত্যি বিস্তর ফারাক তৈরি করে দিতে পারে।সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন দুই দেশের বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্কের মূলভিত্তি। কোভিড পরবর্তী বিশ্বে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধাই মূল বিষয় বলেও দাবি করেছেন বিদেশ মন্ত্রী। বিদেশ মন্ত্রীর মার্কিন সফরে আইপিআই ইস্যু আর দক্ষ সরবরাহ পরিকাঠামোর ওপরে জোর দিয়েছেন। 


নতুন দিল্লি সূত্রে কবর বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মার্কিন সফরের মূল উদ্দেশ্যই ভ্যাকসিন সংগ্রহ। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকরা জানিয়েছেন দুই দেশের কৌশলগত অবস্থানের উন্নতি আর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দিয়েই তাঁর মার্কিন সফর। বৃহস্পতিবার জয়শঙ্কর আইনজীবী ও  শিল্প দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ  ও মধ্যাহ্নভোজনও সারেন। এইএসআইসি-র বৈঠকে ভারতের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ত্রাণ ও পরিষেবা বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই খাতে প্যানডেমিক রেসপন্স গ্লোবাল টাস্ক ফোর্স নামে পরিচিত ৪০টি সংস্থা কাজ করে। ফাইজার ও জনসন অ্যান্ড জনসন - যে দুটি সংস্থা ভারতে করোনা টিকা সরবরাহ করতে আগ্রহী সেই দুটি সংস্থাও এই টাক্সফোর্সে অংশ।