তিনি ছিলেন বলি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত-এর মৃত্যুর তদন্তকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। মূলতঃ তাঁর উদ্যোগেই ঘটনাকর সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। বিহারের সেই প্রাক্তন বিজিপি গুপ্তেশ্বর পান্ডে জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডি (ইউ)-তে যোগ দিলেন। অবশ্য তাঁর এই রাজনীতিতে আসাটা প্রত্যাশিতই ছিল। সুশান্ত তদন্তের মাঝেই, গত সপ্তাহে আচমকা তিনি স্বেচ্ছাবসর নিয়েছিলেন। তারপর থেকেই জল্পনা ছিল।

রবিবার, একেবারে জেডি (ইউ)-এর সভাপতি তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাত থেকেই তিনি দলের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। শনিবারও জেডি (ইউ) সদর দফতরে নীতিশ কুমারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। ওই দিন অবশ্য তিনি বলেছিলেন, 'তাঁর উপর আস্থা রাখার জন্য' বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি 'ধন্যবাদ' দিতে এসেছিলেন। অবসরের পর তিনি বলেছিলেন, 'আমি এখন মুক্ত মানুষ, যা কিছু করতে পারি'। তাতেই তাঁর রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনা আরও বেড়েছিল।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছে, বিশেষতঃ ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছে এই আইপিএস অফিসারের দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালে, লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ভিআরএস-এর আবেদন করেছিলেন তিনি। সেইবার তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। এইবার অবশ্য স্বেচ্ছাবসরের আবেদন পাস হয়ে গিয়েছে। কাজেই আসন্ন বিহার নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলেই আশা করা যায়। সেইসঙ্গে, সুশান্ত সিং রাজপুত-এর মৃত্যু রহস্য ও তার তদন্ত বিহার ভোটে অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলে ভোট বিশেষজ্ঞরা যে পূর্বাভাস দিযেছিলেন, প্রাক্তন ডিজিপির যোগদানে সেই সম্ভাবনা আরও দৃঢ় হল।
   
গত, শুক্রবার বিহার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৮ অক্টোবর, ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বর - এই তিন দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে, আর ভোট গণনা এবং ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১০ নভেম্বর।