ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস। এখানেই শেয নয়। ছিলেন সিবিআই-এর প্রধান। এখানেও শেষ নয়। হয়েছিলেন দুই রাজ্যের রাজ্যপাল। এরপরের অবসর জীবন সিমলার পাহাড়ে নৈসর্গের কোলে। এমন সুন্দর এক জীবনেও বাঁচার স্বাদ নাকি হারিয়ে ফেলেছিলেন অশ্বিনী কুমার। আর তাই নতুন এক জীবনের খোঁজে বেরিয়ে পড়া। এমনই সব কথা তাঁর সুইসাইড নোটে উল্লেখ করে গিয়েছেন অশ্বিনী কুমার। যে সুইসাইড নোট অশ্বিনীর ঝুলন্ত দেহের পাশ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। 

পুলিশ সূত্রে জানান হয়েছে বেশ কয়েক বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই তিনি হতাশায়ভুগছিলেন। আর সেই কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে সূত্রের খবর। পুলিশ তাঁর বাড়ি থেকে একটা সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছিলেন। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশান আর সিমলার ইন্দিরাগান্ধী মেডিক্যাল কলের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

হিমাচল প্রদেশের ক্যাডার ছিলেন তিনি। ২০০৬-২০০৮ সাল পর্যন্ত দুবার কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর ডিরেক্টর নিযুক্ত হয়েছিলেন। তার আগে হিমাচল প্রদেশের ডিজিপি হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। আরুশী হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন তিনি দায়িত্ব ছিলেন। আর সেই সময়ই তিনি দুবার তদন্তকারীদের দল তৈরি করেছিলেন। অবসরের পর ২০১৩ -২০১৪ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। পাশাপাশি দায়িত্ব সামলেছেন মণিপুরেরও।