কয়েক দিনের মধ্যে চারটি আলাদা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং দিল্লি থেকে জম্মু -কাশ্মীর পর্যন্ত এলাকাগুলিকে টার্গেট করার জন্য ছক কষেছে পাকিস্তান আশ্রিত জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি।

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) আগে সতর্ক ভারতের গোয়েন্দা বিভাগ। ইতিমধ্যেই চারটি হামলার (terror attacks) হুমকিবার্তা (Four intelligence alerts) পেয়েছে ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট। সতর্কতা মেনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে। জানা গেছে যে কয়েক দিনের মধ্যে চারটি আলাদা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং দিল্লি থেকে জম্মু -কাশ্মীর পর্যন্ত এলাকাগুলিকে টার্গেট করার জন্য ছক কষেছে পাকিস্তান আশ্রিত জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদ হামলার ছক কষেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে লাইভ হিন্দুস্তান নামের এক সংবাদমাধ্যম। রিপোর্টে বলা হয়েছে ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগেই হামলা চালানো হতে পারে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গোয়েন্দারা মনে করছেন ইতিমধ্যেই জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। লস্কর ও জইশ গোষ্ঠী তাদের লঞ্চপ্যাডের মাধ্যমে হামলা চালানোর প্ল্যান সফল করার চেষ্টা করতে পারে। 

গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জানতে পেরেছে যে জঙ্গিরা এই সময় এমন বিস্ফোরক ব্যবহার করতে পারে যেগুলি অত্যাধুনিক আইইডি মেটাল ডিটেক্টরগুলি ও ডিভাইসগুলি সনাক্ত করতে পারবে না। ফলে নাশকতা প্রতিহত করা কঠিন হতে পারে। জঙ্গিদের রাডারে রয়েছে সেনা ফরওয়ার্ড পোস্ট ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তাঘাঁটিগুলি। বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী কিছু বিস্ফোরক, ডিভাইস, সামগ্রী ইতিমধ্যেই ভারতে পাচার করা হয়েছে, যা নাশকতা ঘটাতে ব্যবহার করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার বিকালে, অনেকটা পুলওয়ামা হামলার ধাঁচে, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ-এর একটি কনভয়কে লক্ষ্য করে আচমকাই গুলি ছুঁড়তে শুরু করেছিল জঙ্গিরা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টে নাগাদ কুলগামের মালপোরা মীর বাজার এলাকার কাছে, শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল বিএসএফের কনভয়টি। বিএসএফ জওয়ানরা পাল্টা জবাব দিতে শুরু করলে শুরু হয়েছিল দুইপক্ষের গুলির লড়াই।

দ্রুত জম্মু এবং কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী বেশ কয়েকটি দল ব্যাকআপের জন্য ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন। যৌথ বাহিনীর সহায়তায় পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছিল। পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদীরা যাতে পালানোর কোনও সুযোগ না পায়, তা নিশ্চিত করেছিল যৌথ বাহিনী।