তিহারে পৌঁছলেন ফাঁসুড়ে। তৈরি হচ্ছে ফাঁসির দড়ি। সূত্রের খবর, ২০১২ সালের নির্ভয়া গণধর্ষণের দিনই ফাাঁসি হচ্ছে অপরাধীদের। তবে এ নিয়ে সরকারিভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি তিহার জেল কর্তৃপক্ষ।

পাওয়া যাচ্ছিল না ফাঁসুড়ে। তাই নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে দোষীদের সাজা দেওয়া নিয়ে কথা উঠছিল বহু। অবশেষে মিলেছে ফাঁসুড়ের খোঁজ।  মিরাট থেকে ফাঁসুড়ে যাচ্ছে তিহারে৷ ইতিমধ্যেই তিহার জেল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ ডিজি (কারা)-কে চিঠি পাঠিয়েছে। ডিজি জানিয়েছেন, মিরাট থেকেই ফাঁসুড়ে যাচ্ছে তিহার জেলে ৷ ওই  ফাঁসুড়ের নাম পবন৷ জানা গেছে, মিরাটের বাসিন্দা পবন৷ ফাঁসুড়ের কাজের পাশাপাশি সাইকেলে লোকের বাড়ি গিয়ে কাপড়-জামা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেন পবন৷  বছর তিনেক আগে নিঠারি হত্যাকাণ্ডের দোষী সুরেন্দ্র কোলিকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য ডাক পড়েছিল পবনের ৷ তবে পরে ফাঁসি বাতিল হয়ে যায় ৷ পবনের বর্তমান বয়স ৫৬ বছর৷

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে দিল্লিতে মুনিরকা এলাকায় চলন্ত বাসের ভিতরে ২৩ বছরের প্যারামেডিক্যাল ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ছয় দুষ্কৃতী। এই ঘটনায় মারা যান ওই ছাত্রী। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ জনের ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। অপরাধীদের মধ্য়ে দুষ্কৃতী নাবালক হওয়ার কারণে জুভেনাইল হোমে বন্দি থাকার পরে মুক্তি পায়। বাকি পাঁচ জনের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত রাম সিং জেলের ভিতরেই আত্মহত্যা করেছে।

কদিন আগেই হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছে দেশ। দিশার দোষীদের ফাঁসি চেয়ে রাস্তায় নামে একাধিক সংগঠন। প্রকাশ্য়ে দোষীদের গুলি করে মারার কথা বলে নির্যাতিতার পরিবার। শেষে ঘটনার টিআই প্যারেডের সময় পালাতে গেলে এনকাউন্টারে মারা যায় অভিযুক্তরা।