এক অন্যতম নজির তৈরি করতে চলেছে হরিয়ানার স্বাস্থ্য মন্ত্রী। তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে তিনি হতে চলছেন প্রথম স্বেচ্ছাসেবী, যিনি ভারত বায়োটেকের বিকাশ করা করোনারভাইরাসের প্রতিষেধন কোভ্যাক্সিনের টিকা গ্রহণ করবেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে তেমনই জানিয়েছেন হরিয়ানার স্বাস্থ্য মন্ত্রী অনিল ভিজ । আগামী ২০ নভেম্বর থেকে হরিয়ানায় শুরু হচ্ছে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। 


ভারত বায়োটেক জানিয়েছেন শুক্রবার থেকেই তারা তাদের বিকাশ করা প্রতিষেধকের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করবে। আর ওই ট্রায়ালে গোটা দেশ থেকে ২৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবী অংশ গ্রহণ করবে। ২৫-৬৫ বছর বয়স্কদের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।   ভারতে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকের এটাই সবথেকে বড় ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বলেও দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। কেন্দ্রীয় সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ ও পুনের ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই এই প্রতিষেধটি তৈরি করেছে ভারত বায়োটেক। 

লাদাখে সত্যি কি ব্যবহার হয়েছিল 'মাক্রোওয়েভ অস্ত্র', চিনের দাবি নিয়ে কী বলল পিআইবি .

গুজরাতে পথদুর্ঘটনায় নিহত ১১, পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ...

কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবীদের ২৮ দিনের ব্যবধানে দুটি করে টিকা বা ইনজেকশন দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তেমন বাছবিচার না করেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে। তবে সংস্থাকে এখনও পর্যন্ত জানান হয়নি প্রতিষেধক পরীক্ষার জন্য কাদের কাদের বেছে নেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যদি সাফল্য আসে তাহলেই ভারতের হাতে দ্রুত দেশীয় প্রযুক্তিতে বিকাশ করা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক চলে আসবে বলেও মনে করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই কোনও রোগে ভুগছেন, কিন্তু রক্তের শর্করা, যকৃত ও কিডনির কার্যকারিতা স্বাভাবিক রয়েছে তাঁদের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।