আগামী ৫ জুলাই সংসদে পেশ করা হবে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট। বাজেট হল সরকারের আয়ের ব্যায়ের হিসাব, যেখানে পূর্ববর্তী বছরের ব্যয়-নির্বাহের পাশাপাশি আগামী অর্থবর্ষের আনুমানিক একটা প্রস্তাব পেশ করা হয়ে থাকে। সংসদে পূর্ণবর্ষের বাজেট পেশ করার পাশাপাশি এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মটিও খুবই ভালভাবে ব্যবহার করছে দেশের অর্থমন্ত্রক। বাজেটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ জরুরী-এ কথা মনে করেই অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য টুইটারে আয়োজন করা হয়েছে এক বিশেষ ধরণের ক্যুইজ। যদিও এটি  প্রথমবার নয়, এর আগেও বাজেট নিয়ে এমন উদ্যোগ নিয়েছিল অর্থমন্ত্রক। যদিও ফেব্রুয়ারি মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার আংশিক বাজেট পেশ করেছিল। লোকসভার নির্বাচনের জন্য এমনভাবে বাজের পেশ করা হয়। সংসদে অধিবেশন শুরু হতেই সরকার পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের দিনটি ঘোষণা করেছিল।

বাজেট পেশ হওয়ার আগে রইল বাজেট সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য-

১) স্বাধীন ভারতের প্রথম সাধারণ বাজেট পেশ করা হয়েছিল ১৯৪৭ সালের ২৬ নভেম্বর।

২) কেন্দ্রীয় বাজেট হল সরকারের অর্থবিষয়ক একটি রিপোর্ট, যেখানে যাবতীয় আয়ের মাধ্যমের পাশাপাশি কোন কোন খাতে কী ব্যয় হয়েছে তার একটি বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে এতে আগামী অর্থবর্ষের জন্য় একটি আনুমানিক ব্যয় নির্বাহের হিসাবও প্রদান করা হয়। 

৩) সরকারের আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে যে পার্থক্য, তাকে বলা হয় আর্থিক ঘাটতি। আর্থিক ঘাটতি দেখা দিলে সরকার তখন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করে থাকে। 

৪) আর্থিক নীতি বাজেটের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিটি অর্থবর্ষে সরকার যে আর্থিক নীতি গ্রহণ করে, সেই নীতির কথা উল্লেখ করা হয়  এই বাজেট পেশের মাধ্যমে। আর এর মাধ্য়মেই সরকার দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। 

৫) বাজারে পণ্যের মূল্য যখন স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয়, তখন তাকে মূদ্রাস্ফীতি বলা হয়।