একমাত্র ওষুধ বা প্রতিষেধকের মাধ্যমেই কাবু করা যেতে পারে করোনাভাইরাসকে। আর সেই জীবনীসুধার খোঁজ চালাচ্ছে দেশের তিরিশটি দল। বিজ্ঞানী, চিকিৎসকরা রাতদিন এক করে ফেলছেন করোনাভাইরাসের ওষুধের খোঁজে। ২০টি দল ইতিমধ্যেই অনেকটা দূরে এগিয়েছেন। জানিয়েছেন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কেন্দ্রের তৈরি টাস্ক ফোর্সের অন্যতম সদস্য ডাঃ কে বিজয়রাঘবন। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দিয়েছেন কোনও ভারতীয় সংস্থাই এখনও পর্যন্ত ট্রায়াল রানের পর্যায়ে উন্নীত হতে পারেনি। 

ভারতে প্রায় তিরিশটি দল রয়েছে যারা করোনার ওষুধ বা প্রতিষেধকের খোঁজ চালাচ্ছে। সেই দলের মধ্যে যেমন নামি দামি সংস্থা রয়েছে তেমনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন কিছু সংস্থা প্রাক ক্লিনিক্যাল টেস্টের কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন মূলত চার ধরনের ওষুধ তৈরির দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে এই দেশে। এমআর এনএ, ইনটেনিউটেড অ্যাক্টিভেটেড আর অ্যাডজুভেন্ট। আগামী এক বছরের মধ্যে ওষুধ তৈরির দিকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ দেশে তো বটেই, বিশ্বেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্বে সবমিলিয়ে ১০০টিরও বেশি সংস্থা করোনার ওষুধ অথবা প্রতিষেধকের খোঁজে ব্যস্ত রয়েছে। সবমিলিয়ে ইতিমধ্যেই লগ্নি করা হয়েছে ২-৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির মধ্যে এই দেশে অবস্থিত সেরাম ইনস্টিটিউট, জাইডাস ক্যাডিলা, ভারত বায়োটেক ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিকস লিমিটেড। তাই ওষুধের সন্ধান পাওয়া গেলে তা তৈরি করতে বেশি সময়  লাগবে না বলেও মনে করেছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের মৌলিক বৈশিষ্ঠ্যগুলি একই রয়েছে তেমন কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। তিনি আরও বলেন আমাদের এমন প্রতিষেধক খুঁজে বার করতে হবে যা দেহের কোষগুলিকে প্রভাবিক করতে না পারে। শুধুমাত্র ভাইরাসটিকেই কাবু করতে পারে। যা কিছুটা হলেও কঠিন বলে মনে করেছেন গবেষকরা। রেমডেসভির, অ্যান্টি ম্যারেরিয়াল ওষুধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে কাজ চালান হচ্ছে কিন্তু ভাইরাসটি থেকে মুক্তি পেতে সঞ্জীবনী সুধার খোঁজ চালাচ্ছে অধিকাংশ দেশই।