মে মাসের গোড়ার দিকে শুরুটা হয়েছিল সিকিম সীমান্ত। সংঘর্ষে জড়়িয়ে পড়েছিল সীমান্ত পাহারারত ভারত ও চিনের সৈন্যরা। দুই দেশেরই বেশ কয়েকজন সৈন্য আহত হয়েছিল। স্থানীয় পর্যায়ে কথা বলেই বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে জানান হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রে। কিন্তু তারপরেও উন্নতি হয়নি দেই দেশের সম্পর্কের। ক্রমশই উত্তেজনার পারদ চলড়ে লাদাখ সীমান্তে। তাও আজই প্রথম নয়। বেশ কয়েক দিন ধরেই। লাদাখে ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল চিনের চিনের যুদ্ধ বিমান। তারপর স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা সীমান্তের ওপারে রীতিমত যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু করেছে চিন। 

স্যাটেলাইট ইমেজে পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে, লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের গা ঘেঁসেই তৈরি হয়েছে চিনের সেনাবাহিনী চাইনিস পিপিলস লিবারেশন আর্মির তাবুগুলি। মজুত করা হচ্ছে বেশকিছু যন্ত্রপাতিও। তবে হাতে হাত দিয়ে বসে নেই ভারতীয় সেনাও। সীমান্তে প্রায় ১ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। পাল্টা চিনও সমসংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে বলে সূত্রের খবর। তবে বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সেনাবাহিনী এখনও মুখ খোলেনি। সূত্রের খবর লাদাখ সীমান্তের বেশ কয়েকটি এলাকায়ই সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে চিন। 

ভারতীয় সেনা বাহিনী সূত্রে খবর সবরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ভারত। সীমান্তে লম্বা যুদ্ধের জন্যই প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গালওয়াল উপত্যকা ও পানগং লেক এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে ঘুঁটি সাজান হচ্ছে। অন্যদিকে চিনও পানগং লেকে টহল বাড়িয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর নৌকাও। পানগং লেক নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরেই। সূত্রের খবর ওই এলাকায় নজরদারী বাড়িয়েছে ভারত। পাল্লা দিয়ে চিনও নাকি নজরদারী বাড়িয়েছে। 

সীমান্তবর্তী এলাকায় যাতায়াতের উন্নয়নের জন্য রাস্তা নির্মান করেছে ভারত। রাস্তা নির্মান ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরই আপত্তি জানায় চিন। 
তারপর থেকেই ভারত চিন সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়তে থাকে উত্তেজনা। পনগং টোস ছাড়াও অন্যান্য উত্তজনাপূর্ণ স্থানগুলি হল ট্রিগ হাইটস,  ডেমচোক ও চুমার। পূর্ব সেক্টের দুর্বল স্থানগুলি হল অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমে রয়েছে।