বিশ্বব্যাপী জ্বালানির চাহিদা চালিত করবে  ভারত। চতুর্থ ইন্ডিয়া এনার্জি ফোরামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  ভার্চুয়াল ভাষণ দিতে গিয়ে সোমবার এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের সামনে তিনি তাঁর সরকারের সাম্প্রতিক সংস্কারগুলি তুলে ধরেন।

নরেন্দ্র মোদী বলেন করোনাভাইরাস মহামারির ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানীর চাহিদা এক তৃতীয়াংশ কমে গিয়েছে। আগামী কয়েক বছরও চাহিদা কমই থাকবে এরকমই পূর্বাভাস রয়েছে, যা অবশ্যই বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু, ভারতে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষেত্রে জ্বালানির চাহিদা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করেন তিনি।

সেইসঙ্গে তিনি জানান, ভারত দ্রুত পরিষ্কার এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উত্স গ্রহণ করছে। ২০২২ সালের মধ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানী উত্স ব্যবহারের পরিমাণ ১৭৫ গিগাওয়াটে পৌঁছনোর মাধ্যমে ভারত সিওপি২১ প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ৪৫০ গিগাওয়াটে পৌঁছনো লক্ষ্যমাত্রা বলে জানান তিনি।

এছাড়াও, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্পাদন ব্যবস্থার পাশাপাশি গ্যাস বিপণনের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, গত পাঁচ বছরে জ্বালানি খাতে ভারতের রূপান্তরমূলক সংস্কার দ্রুত গতিতে চলেছে। কারণ ভারতের লক্ষ গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিতে ফোকাস করা। তবে সেইসঙ্গে ২০২২ সালের মধ্যে বছর প্রতি ২৫০ মিলিয়ন টন থেকে তেল পরিশোধন ক্ষমতা বাড়িয়ে ৪৫০ মিলিয়ন টন করবে ভারত বলেও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কারণ চাহিদার সঙ্গে আত্মনির্ভরতার তালমিল রাখবে ভারত।