মোবাইল গেম  থেকে শুরু করে ফেসবুকের নেশায় এখন প্রায় প্রত্যেকেই আক্রান্ত। ছোট থেকে বড়ো সকলেই মোবাইল ফোন হাতে থাকলে ভুলে যায় সব কিছুই প্রায়। পারলে সারাদিন বসে থাকে মোবাইল নিয়েই। 
মোবাইলের এই নেশার ফলে বহু দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তার পরে এখনও মানুষ সচেতন হয়নি। কানে হেডফোন লাগিয়ে রাস্তা পারাপার করার সময় দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে ফোন কথা বলতে বলতে রেললাইন পারাপার করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পরার ঘটনা হামেশাই শোনা যায়।  
দুর্ঘটনা ছাড়াও মোবাইল ফোনের ফলে এখন মানুষ অনেক বেশি অসামাজিকও হয়ে গেছে।  ঘরে ঘরে এখন দেখা যায় কেও কারও-র সঙ্গে কথা না বলে ফোন নিয়ে বসে আছে দীর্ঘক্ষণ। এমনকী বড়দের দেখাদেখি ছোটদের মধ্যেও এই রোগ সংক্রমিত হচ্ছে দ্রুতগতিতে। ফলে, ছোট বাচ্চাদেরও এখন সারাদিন ফোন নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। যদি এই সমস্যার সমাধান পেতে চান তবে আপনাকে যেতে হবে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে মোট তিনটি হাসপাতাল মোবাইল ফোনের নেশা ছাড়াতে রিহ্যাব সেন্টার খুলেছে। তারা এর নামকরণ করেছেন 'প্রবলেমেটিক ইউজ অফ টেকনোলজি ক্লিনিক। '
মোবাইলের নেশা ছাড়ানোটা খুব একটা সহজ কাজ নয়। এই নেশা ছাড়াতে প্রয়োজন কাউন্সেলিং। একমাত্র নিয়মিত কাউন্সেলিং-এর দ্বারাই এই নেশা নিরাময় সম্ভব। আর তার জন্যই প্রয়োজন এই নেশা মুক্তি কেন্দ্রের।  
এলাহাবাদের একটি সেন্টারে ইতিমধ্যেই ১৫ জন ভর্তিও হয়েছে। এদেরমধ্যে বেশির ভাগই স্কুল পড়ুয়া। শোনা যাচ্ছে মোবাইলের নেশা কাটাতে তাদের এখন জোর পাঠ দেওয়া হচ্ছে। আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ মোবাইলের মারাত্মক নেশায় আক্রান্ত? তাহলে আপনারাও এই রিহ্যাবে যাওয়াটা একবার ট্রাই করতে পারেন।