২০২০ সাল পাল্টে দিল ভারতের সামরিক কৌশলএতদিন ১০ দিনের তীব্র যুদ্ধের মতো অস্ত্রশস্ত্র মজুত করত প্রতিরক্ষা বাহিনীএবার অস্ত্র মজুত হচ্ছে ১৫ দিনের তীব্র যুদ্ধের জন্যচিন-পাকিস্তান দুই সীমান্তেই তৈরি হচ্ছে বাহিনী

২০২০ সালের আগে পর্যন্ত মনে করা হতো ভারতের সীমান্তের একদিক থেকেই যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু, চলতি বছরের চিনা আগ্রসন সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছে। এতদিন পর্যন্ত ১০ দিনের তীব্র যুদ্ধের মতো অস্ত্রশস্ত্র মজুত করে রাখত প্রতিরক্ষা বাহিনী। কিন্তু, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দ্বি-মুখী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি বাড়াতে এবং ১৫ দিনের তীব্র যুদ্ধের জন্য অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করার বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সরকারী সূত্রের খবর, শত্রুপক্ষের সঙ্গে ১৫ দিনের তীব্র যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্র মজুদ করার অনুমোদনের সাপেক্ষে এখন বেশ কিছু নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে ওই সূত্র জানিয়েছে অস্ত্রশসত্রের পরিমাণ বাড়ানোর অনুমোদনটি বেশ কয়েকদিন আগেই দেওয়া হয়েছে। তারপরই ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশিয় এবং বিদেশি বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম এবং গোলাবারুদ সংগ্রহ করতে শুরু করেছে।

এই পদক্ষেপের লক্ষ্য, চিন ও পাকিস্তান দুই সীমান্তেই যুদ্ধের জন্য ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা। গত মাসেই জানা গিয়েছিল, ভারতীয় সেনা শীঘ্রই পূর্ব লাদাখ এবং চিন সীমান্তের অন্যান্য অঞ্চলে নজরদারির জন্য ইস্রায়েলি হেরন এবং আমেরিকান মিনি ড্রোন পেতে চলেছে। চলতি মাসেই হেরন নজরদারি ড্রোন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একসময় ৪০ দিনের তীব্র যুদ্ধের জন্য অস্ত্র-গোলা-বারুদ মজুত রাখত ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীগুলি। কিন্তু গোলাবারুদ দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে রাখার অসুবিধা এবং যুদ্ধের প্রকৃতির পরিবর্তনের জন্য এই অস্ত্র সংরক্ষণের অনুমোদন বেশ কয়েক বছর আগে ৪০ দিন থেকে ১০ দিনে নামিয়ে আনা হয়েছিল। তবে, উরি হামলার পরই তত্কালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিক্কর সেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনার উপ-প্রধানদের বাহিনীর আর্থিক ক্ষমতা ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।