চিন আর পাকিস্তানকে একযোগে হুঁশিয়ারি  কলকাতায় বসে চিফ ডিফেন্স স্টাফের হুশিয়ার  সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তৈরি রয়েছে ভারত  চিনা এলএসি এলাকায় পরিস্থিতি বদল করতে চাইছে বলে অভিযোগ 

কলকাতায় বসে চিন ও পাকিস্তানকে একসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিলেন বিপিন রাওয়াত। একই সঙ্গে তিনি বলেন এখন সময় এসেগেছে আমাদের যুদ্ধের প্রযুক্তিগুলিকে সক্রিয় করে তোলার। উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ভারত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য ইতিমধ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


সোমবার কলকাতা একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করে তিনি বলেন, করোনা মহামারির মধ্যেই চিন উত্তর সীমান্ত এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় স্থিতাবস্থা বদল করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু তারপরেও এই মহামারির সময় সমুদ্র ও আকাশে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি পুরোপুরি নিশ্চিত ভারতীয় জওয়ানরা সীমান্ত নিরাপত্তায় অবিচল থাকবে। কোনও রকম কূটকৌশলের কাছে তারা মাথা নত করবে না। চিফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত বলেন, লাদাখের পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু চিন স্বায়স্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বত থেকে গোটা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ভারত তার সীমান্ত সুরক্ষায় নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও একপ্রকাশ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে ধরেই তিনি বলেন, যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তত রয়েছে দেশ। একই সঙ্গে প্রতিবেশী পাকিস্তানকেও নিশানা করেন তিনি। বলেন চিনের সঙ্গে লাদাখ পাকিস্তান ধারাবাহিকভাবে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। যা ভারতের মাথা ব্যাথার আরও এক কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর দুই প্রতিবেশী এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করে বিপিন রাওয়ার জানিয়ে দিয়েছেন ভারত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। 

Scroll to load tweet…

গত ৬ মাস ধরে লাদাখে চিনের সঙ্গে বিবাদ চলছে। একের পর এক সামরিক ও কূটনৈতিক বৈঠকের পরেও কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি। একাধিক বৈঠকে লাল ফৌজ সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বললও এখনও কাজের কাজ তেমন কিছু হয়নি বলেও ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর। ভারতের পক্ষ থেকে বারবার চিনা সেনাকে এপ্রিল মাসের আগের অবস্থায় ফিরতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত-পাক সীমান্ত এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই সংঘর্ষ বিরতির ঘটনা ঘটে চলেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশের একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভারত। পাল্টা জবাবও দিচ্ছে ভারতীয় জওয়ানরা।