বিশ্বের অন্যতম পেশাদার ও নৈতিক বাহিনী হিসাবে বিবেচিত হয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর তা কেন করা হয়, তার প্রমাণ আরও একবার রাখলেন আমাদের সেনা জওয়ানরা। বরাবরই ভারতীয় সেনা বিশ্বাস করে 'একজন সৈনিকের প্রথম পরিচয় একজন সৈনিক এবং অন্য সব পরিচয় পরে'। সেই বিশ্বাস থেকেই সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের নওগাম সেক্টরে এক পদস্থ পাক সেনাকর্তার ভাঙাচোরা কবর তারা মেরামত করলেন।

কবরটি প্রয়াত পাক মেজর মহম্মদ শাবির খানের। ১৯৭২ সালে নিয়ন্ত্রণ রেখার এইপারে ভারতীয় সেনার হাতে নিহত হয়েছিলেন তিনি। চিনার কর্পস-এর পোস্ট করা ছবি থেকে জানা যাচ্ছে, সিতার-ই-জুরাত প্রাপ্ত শহিদ মেজর মহম্মদ শাবির খান ১৯৭২ সালের ৫ মে, ৯ জন শিখ সৈনিকের পাল্টা আক্রমণে নিহত হয়েছিলেন।

পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার সিতারা-ই-জুরাত প্রাপ্ত এই মেজরের সমাধিটি সম্প্রতি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল। সেনাবাহিনীর শ্রীনগরে থাকা চিনার কর্পস সেই সমাধিটি মেরামত করে বলেছে, একজন শহিদ সৈনিক, সে যে দেশেরই হোক না কেন, সম্মানের দাবিদার'। এটাই বারতীয় সেনার ঐতিহ্য বলে জাননো হয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই নৈতিক পদক্ষেপের সঙ্গে কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বর কার্যকলাপ একেবারেই মেলে না। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে, পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার এক কুলির মাথা কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৩ সালের ১ মে, পাক সেনাবাহিনী, ভারতীয় সেনার এক জওয়ান এবং একটি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) এক হেড কনস্টেবলকে হত্যা করে তাদের দেহ ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিল।