ভারতীয়দের সঙ্গে চূড়ান্ত অভব্যতা করল পাকিস্তানের সরকারি কর্তারা।  ঘটনা শনিবার সন্ধের। পাকিস্তানের  ভারতীয় কমিশনের ইফতার পার্টি ছিল এদিন।  এই পার্টি তে আমন্ত্রিত ভারতীয় অভ্যাগতদের পার্টির পূর্বনির্ধারিত ঠিকানা সেরানা হোটেলে ঢুকতে তো দেওয়াই হল না উল্টে নিগ্রহের অভিযোগ উঠল।  অভিযোগ, অতিথি অভ্যাগতদের নিরাপত্তার অজুহাতে নানা রকম ভাবে হেনস্থা করে ইসলামাবাদের পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তারা। হুমকিও দেওয়া হয় তাঁদের। 

ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যাায়। ভারতীয় হাইকমিশনার অজয় বিসরিয়া গোটা ঘটনার জন্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চান উপস্থিত অভ্যাগতদের কাছে।

প্রসঙ্গত পুলওয়ামা কাণ্ডের জেরে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। ভারতের সপ্তদশ মন্ত্রীসভা গঠনের প্রাক্কালে সমস্ত প্রতিবেশি দেশগুলিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ভারত পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানায়নি। এদিনেক ঘটনা সেই তিক্ততাকে আরও বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছেন উদ্বিগ্ন মহল। 

বিরসিয়া আরও বলেন, "ভদ্রতার সীমা ও কূটনৈতিক আচরণের প্রাথমিক শর্তগুলি লঙ্ঘিত হয়েছে। এই আচরণের প্রভাব আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়বে।"

প্রসঙ্গত এর আগেও লাহৌরে একটু গুরুদ্বারায় ভারতীয় কূটনীতিককে হেনস্থা করেছিল পাকিস্তান। নরেন্দ্র মোদী প্রথম থেকেই কড়া ব্যবস্থা নিয়েছেন পাকিস্তানের হিংসা ও নৈরাজ্যে মদতদানের বিরুদ্ধে। পুলওয়ামা হিংসার জবাব হয়ে উঠেছে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক। কিন্তু অতিথি, অভ্যাগতদের কোনও সমস্যা হয়নি ভারতে। ঠিক উল্টো ছবিটা ধরা পড়ে দিল্লির পাক হাইকমিশনের ইফতার পার্টিতে। সেখানে একজোট হন কবি, সাহিত্যিক তথা বুদ্ধিজীবীরা। তাঁদের আপ্যায়নে কোনও ত্রুটিও ছিল না।

এই অপমানের জবাব ভারত কী ভাবে দেয় সেটাই দেখার।