Asianet News BanglaAsianet News Bangla

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ৬১ লক্ষ আর সুস্থ ৫১ লক্ষ, স্বস্তি দিচ্ছে দৈনিক আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা

  • দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৬১ লক্ষ 
  • স্বস্তি দিয়েছে দৈনিক আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা 
  • লকডাউনের ১৮৬ দিন পরে সুস্থ হওয়ার মানুষের সংখ্যা ৫১ লক্ষ 
  • মৃত্যু হয়েছে ৯৬ হাজারেরও বেশি মানুষের 
     
indias coronavirus tally cross 61 lakh mark decreased daily spike death toll bsm
Author
Kolkata, First Published Sep 29, 2020, 12:05 PM IST

লকডাউনেক ১৮৬ দিন পরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ লক্ষের কোটায় পৌঁছে গেল।  কিন্তু স্বস্তি দিল দৈনিক আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা। সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকের তুলনায় দৈনিক আক্রান্ত আর মৃতের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে এই দেশে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭০ হাজার ৫৮৯ জন। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ লক্ষ ৪৫ হাজার ২৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টা মৃত্যু হয়েছে ৭৭৬ জনের। যা নিয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মোট সংখ্যা হল ৯৬ হাজার ৩১৮ জন। 


সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে দৈনিক আক্রান্তের গড় ছিল ৯০ হাজারের কোটায়। আর দৈনিক মৃত্যুর গড়ও ছিল প্রায় ১ হাজার। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। গতকাল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ছিল। এদিন তার থেকে অনেকটাই কমে গেছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংক্যা ৯ লক্ষ ৪৭ হাজারেরও বেশি। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে যাওয়ার মানুষের সংখ্যা ৫১ লক্ষের বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে সুস্থতার হার ৮৩ শতাংশেরও বেশি। সংক্রমণ রুখতে বাড়ান হয়েছে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও। 

আক্রান্ত রাজ্যগুলির ক্রম তালিকায় এখনও পর্যন্ত প্রথম রয়েছে মহারাষ্ট্র। আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৩ লক্ষেরও বেশি। দ্বিতীয়, তৃতীয় আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে দক্ষিণের তিন রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু আর কর্ণাটক। অন্যদিকে আবার নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে কেলরে। এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৯২২। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন সাড়ে তার হাজারেও বেশি মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নতুন করে লকডাউনের পথে হাঁটার পরিকল্প নেওয়া হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। দক্ষিণের এই রাজ্যটি গত ৩০ জানুয়ারি থেকেই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios