পূর্ব ঘোষণা মতো দলের সর্বভারতীয় সভাপতি থাকছেন অমিত শাহই। কিন্তু যেহেতু এখন তাঁকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে, তাই তাঁর কাজের ভার কিছুটা কমাতে কার্যকরী সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হল জে পি নাড্ডাকে। আপাতত অমিতের সহকারী হিসেবেই কাজ করবেন নাড্ডা। প্রথম মোদী সরকারেস স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন নাড্ডা। রাজ্যসভার এই সাংসদ এবার মন্ত্রিসভায় না থাকলেও তাঁকে গুরুদায়িত্বই দিলেন মোদী- শাহরা। সোমবার বিজেপি-র সংসদীয় কমিটির বৈঠকে কার্যকরী সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হয় জে পি নাড্ডাকে। 

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছেন, 'বিজেপি-র সভাপতি হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব সামলেছেন অমিত শাহ। কিন্তু এখন যেহেতু তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন, তাই অন্য কাউকে দলের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেছিলেন। বিজেপি-র সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে জে পি নাড্ডাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।'

২০১৯- এই বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই পর্যন্ত অমিত শাহই দলের সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন। তার পরেই দলের নিয়ম মেনে অনুযায়ী নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হবে। 
 
আগামী বছর হরিয়ানা, জম্মু- কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। এই নির্বাচনগুলিতে দলকে সাফল্য পাইয়ে দেওয়ার রণকৌশল ঠিক করবেন নাড্ডাই। ৫৯ বছর বয়সি নাড্ডা খুব বেশি প্রচারের আলোয় থাকতে পছন্দ করেন না। চুপচাপ কাজ করতেই স্বচ্ছন্দ তিনি। প্রথম মোদী সরকারেও তাঁর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সরকারি স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প 'আয়ুষ্মান ভারত'- এর সফল রূপায়ণেও নাড্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।