Asianet News BanglaAsianet News Bangla

বিশ্বের সর্বোচ্চ যিশুর মূর্তি নির্মাণের কাজে বাধা, বিপাকে পড়েছেন কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার

  • কর্ণাটক হাইকোর্টের রায়ে বিপাকে কংগ্রেস নেতা 
  • আপাতত স্থগিত মূর্তি নির্মাণের কাজ
  • ভোট ব্যাঙ্ককে প্রভাবিত করতেই এই উদ্যোগ
  • অভিযোগ মামলাকারীদের 
Karnataka high court stop work on tallest Jesus statue bsm
Author
Kolkata, First Published Oct 21, 2020, 2:59 PM IST

উপনির্বাচনের আগে আবারও বিপাকে কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার। হাইকোর্টের রায়ে কিছুটা হলও অস্বস্তি বাড়িয়ে ডিকে শিবকুমার ও তাঁর ভাই ডিকে সুরেশের। কারণ কর্ণাটক হাইকোর্টের রায়ে আপাতত বব্ধ রাখতে হচ্ছে  বিশ্বের সর্বোচ্চ যীশুর মূর্তি নির্মাণের কাজ। বেঙ্গালুরু থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে কপালাবিতায়  ১৫ একর জায়গায় এই মূর্তি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল শিবকুমার ভাইয়েরা। তারই বিরুদ্ধে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট মুর্তি নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। 

Karnataka high court stop work on tallest Jesus statue bsm

শিবকুমার ভাইয়েদের বিরুদ্ধে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়েছিল বেআইনিভাবে ওই জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিকে শিবকুমার ও তাঁর ভাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত করতে এই কাজ করেছে বলেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অ্যান্টনি স্বামী ও আরও সাতজন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলনে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি অভয় শ্রীনীস ওকা ও বিচারপতি অশোক এস কিনাগীর ডিভিশন বেঞ্চে। অন্তবর্তীকালীন আদেশ পাশ করার জন্য রাজ্য সরকারও ও ট্রাস্টকে নোটিস পাঠিয়েছে। এই মামলায় আবেদকদের অভিযোগ ছিল জ্বালানী মন্ত্রী থাকাকালীন ডিকে শিবকুমার ও তাঁর ভাই, যিনি সাংসদ স্থানীয়দের কোনও রকম দাবি ছাড়াই ২০১৭ সালে মূর্তি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আর সেই জন্যই ডেপুটি কমিশনারকে চিঠি লিখেছিলেন। 

কানকাপুরায় প্রায় ২০০০ খ্রিস্টানের বাস। যার মধ্যে ১৫০০ খ্রিস্টান ধর্মালম্বী মানুষ বাস করেন নলহল্লি ও হরোবেল গ্রামে। জনস্বার্থ মামলা অনুযায়ী স্থানীয় একটি গির্জার ট্রাস্ট তাদের ১০ একর জমি হস্তান্তর করে। কিন্তু শিবকুমার ভাইদের মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামের খ্রস্টান সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করা আর ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগানো। যদিও মামলাকারীদের দাবি স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন গ্রামে একটি গির্জা রয়েছে আর কোনও গির্জার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তারপরেও জোর করে মূর্তি নির্মাণের কাজ চলেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভিদ তৈরি করেই শিবকুমার ভাইরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। পাল্টা শিবকুমার ভাইয়েদের দাবি ছিল স্থানীয় প্রশাসন আর গ্রামবাসীরা কোনও বাধাদেয়নি। খ্রিস্টান ধর্মের বেশ কয়েকটি স্মৃতিসৌধ ওই গ্রামে থাকায় তাঁরা তাড়াতাড়ি নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন। যদিও সুপ্রিম কোর্ট বারবার বলেছে সরকারি সম্পত্তি কখনই বেসরকারি ব্যক্তি ব্যবহারের অনুমতি দোয়া যায় না। যদিও একটি অংশ বলছেন ডিকে শিবকুমারের এই কাজে বন ও পরিবেশ সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন হয়েছে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios