সারা দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দূষণ। সম্প্রতি কলকাতার দূষণমাত্রা দিল্লিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে বারবার। পরিবেশবিদরা বারবার নির্মীয়মাণ বহুতল, মেট্রোরেলের সম্প্রসারণকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এই ঘটনায়। এবার এই ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ পড়তে পারে। 

সম্প্রতি কলকাতার সবুজ ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। পিপল ইউনাইটেড ফর বেটার লিভিং ইন ক্যালকাটা নামক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এবার কলকাতার সবুজায়নে নজর দিচ্ছেন তাঁরা।

প্লাস্টিক দূষণের ফলে বেড়ে চলা ভারি কার্বন মনো অক্সাইড, নির্মীয়মাণ বহুতলের কারণে জমতে থাকা ধুলোর পড়ত, গাড়ি ঘোড়ার ধুলোর কারণে কলকাতায় দূষণ প্রতিদিন বা়ড়তে থাকছে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন বাড়ছে অসুখ। অ্যাজমায় আক্রান্ত হচ্ছেন বহু জন।  

পরিকল্পনা খিদিরপুরের ধোবি তালাও অঞ্চলে এবং  তারাতলায় অঞ্চলে কৃত্রিম অরণ্য গড়ে তুলবে কলকাতা বন্দর।  দুটি অরণ্যের আয়তন হবে যথাক্রমে ১৭০০ বর্গমিটার ও ২০০০ বর্গমিটার।শুধু অরণ্য গড়াই নয়, একই সঙ্গে জলাশয় বাঁচানোর কর্মসূচিতেও আগ্রহী কলকাতা বন্দর। আপাতত নেচার পার্কের দশটি জলাশয়কে মৎস্যজীবীদের সমবায় সমিতির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি একটি নতুন স্বতন্ত্র্য বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য। আশা করা যায়, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে কলকাতার ফুসফুসে অনেকটা অক্সিজেন প্রবেশ করবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা সে ক্ষেত্রে বাড়বে শীতকালে আসা পরিযায়ী পাখির সংখ্যাও।