সাধারণত এই ধরণের ঘটনার কথা শোনা যায় পাকিস্তানে। সেই দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু বা খ্রিষ্টান নারীদের অপহরণ করে জোর করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ ওঠে মাঝে মাঝেই। কিন্তু এবার এই একই ধরণের ঘটনার অভিযোগ উঠল খোদ ভারতেই। রাজস্থানের কোটা-য় এক বিধবা মহিলা স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রথমে অপহরণ ও ধর্ষণ এবং পরে জোর করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ এনেছেন।

কোটার উদ্যোগনগর থানায় এক নির্যাতিতা অভিযোগ করেছেন, রাজগড় বারাণ এলাকার বাসিন্দা আশফাক প্রথমে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং অপহরণ করে। পরে তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে তাঁকে গণধর্ষণও করে। এমনকি আশফাক তাঁর সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা।

তিনি আরও জানিয়েছেন, আশফাক তাঁকে ধর্মান্তরিত করতে একজন মৌলবীকে ডেকে আনে। ওই মৌলবী বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান করার পর তাঁকে দিয়ে জোর করে নামাজ পড়ানো হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর হিন্দু নামটি বদলে নতুন একটি মুসলিম নাম রাখা হয়।

তবে এই ঘটনায় রাজস্থান পুলিশের দিকেও আঙুল উঠেছে। নির্যাতিতার অভিযোগ, তিনি প্রথম যখন উদ্যানগর নগরথানায় পৌঁছান, পুলিশ তাঁর কথায় কানই দেয়নি। উল্টে পুলিশ জানায় মুসলিম ধর্মে তিন-চারটি নিকাহ ন্যায়সঙ্গত। তাঁর বিয়ে হয়ে যাওয়া এখন আর তাদের কিছুই করার নেই। কিন্তু এই খবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর চাপে পড়ে পুলিশ নড়েচড়ে বসেছে। অভিযুক্ত আশফাক-কে গ্রেফতারের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।