সামরিক বৈঠকের পর এবার কূটনৈতিক বৈঠকে মুখোমুখী হচ্ছে ভারত ও চিন। সূত্রের খবর বুধবারই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা করবেন দুই দেশের শীর্ষকর্তারা। সূত্রের খবর মূলত লাদাখ সীমান্তের উত্তেজনা নিয়েই কথা হবে দুই দেশের মধ্যে। এর আগে দুই দেশই একাধিকবার সামরিক পর্যায়ের বৈঠক করছে। সোমবারই পূর্ব লাদাখের ওপারে চিনের মোলডোতে পিপিলস লিবারেশন আর্মির আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের সেনা আধিকারিকরা। কিছু বিষয়ে ঐক্যমত্ত হলেও বেশ কয়েকটি বিষয় এখনও একমত হতে পারেনি বিবাদমান দুটি দেশ। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সীমান্ত সমস্যা মেটাতে দুই দেশই কূটনৈতিক স্তরে বৈঠকের পথেই হেঁটেছে। গত ১৫ জুন গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এই প্রথম দুই দেশ কূটনৈতিক স্তরের বৈঠকে সামিল হচ্ছে। 

এদিন সেই সূত্র ধরেই আলোচনায় বসতে চলছে ভারত আর চিন। সীমান্ত উত্তাপ প্রসমনে ওয়ার্কিং মেকানিজম পর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অন ইন্ডিয়া চায়না বর্ডার অ্যাফেসার্স বা ডাবলুএমসিসি প্রজেক্টের অধীনেই এই বৈঠক হতে চলেছে। ২০১২ সালে  তৈরি হয়েছে ডাবলুএমসিসি। এর মূল উদ্দেশ্যই ছিল  সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে তড়িঘড়ি আলোচনার মাধ্যমে তা সামাধান করতে উদ্যোগ নেওয়া। 

সাইবার যুদ্ধে 'বিশ্বগুরু'র ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায় চিন, চিনের প্রথম লক্ষ্য কী ভারত .

করোনা মোকাবিলায় তামিলনাড়ুর অস্ত্র 'প্রাচীন সিদ্ধা', কতটা উপকারী এই পদ্ধতি ...

সূত্রের খবর গালওয়ান থেকে সেনা সরাতে রাজি হয়েছে চিন। কিন্ত ভারত চাইছে ৪ঠা মের অবস্থানে ফিরে যাওয়া হোক। কিন্তু বেশ কিছু এলাকা নিয়ে সহমত নয় চিন। তাই কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা করে তা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে দুই দেশ। 

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক ভারত ও চিনা সেনা কর্তাদের মধ্যে, কী নিয়ে হল আলোচনা .

এই পরিস্থিতিতেই এদিন ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে পূর্ব লাদাখ সীমান্ত সংঘর্ষ এলাকা পরিদর্শন করেন। সীমান্তে কর্তব্যরত সেনা জওয়ানদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।