পূর্ব লাদাখ সীমান্ত থেকে সরেগেছে চিনা সেনা। তুলে নেওয়া হয়েছে পিপিলস লিবারেশন আর্মিরস তাবুগুলি। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে চিনের সমর যান গুলিও। সেনা সূত্রে পাওয়া এই খবরেও সন্তুষ্ট নয় রাহুল গান্ধী। সমর বিশেষজ্ঞ অজয় শুল্কার এই সাক্ষাৎকারকে হাতিয়ার করেই রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন রাহুল গান্ধী। অজয় শুক্লার দাবি চিনা সেনা সরে গেলেও তারা এখনও ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যেই অবস্থান করছে। তাঁর দাবি চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডের ২-৪ কিলোমিটার ভিতরে প্রবেশ করেছিল। হটস্প্রিং, গোগরা থেকে চিনা সেনা কিছুটা পিছিয়ে গেলেও ভারতীয় ভূখণ্ড ছাড়তে নারাজ। অজয় শুক্তার এই বক্তব্যকে হাতিয়ার রাহুল গান্ধী সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন মোদীজির রাজত্বকালে এটা কী হচ্ছে, চিন আমাদের প্রবিত্র ভূমি চিন অধিকার করে নিচ্ছে।

লাদাখের ৪ এলাকায় বন্ধ পেট্রোলিং জানাল সেনা সূত্র, দেপসাং সমভূমিতে ভারত ও চিনা সেনার কাছাকাছি অবস্থা 

রীতিমত রহস্যময়ী স্বপ্না সুরেশ, কূটনৈতিক প্রভাব খাটিয়েই ৩০ কিলো সোনা আমদানি করেছিল

এর পরই রাহুল গান্ধীকে পাল্টা নিশানা করেন বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন রাহুল গান্ধীর দেশপ্রেম পুরোপুরি মিথ্যা।  দেশের মানুষকে রাহুল গান্ধী বিভ্রান্ত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন নাড্ডা। পাশাপাশি তিনি বলেন ডোকলাম সীমান্ত ভারতীয় সেনারা যখন চিনা জওয়ানদের প্রতিহত করার মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তখন  গোপনে রাহুল চিনা রাষ্ট্রদূতের অফিসে গিয়েছিলেন। সেই ছবি যদি চিনা রাষ্ট্রদূত অনলাইনে রাখে তাহলে গোটা দেশ জানতে পারবে। 


লাদাখ সীমান্ত নিয়ে এটাই প্রথম বার নয় যখন জেপি নাড্ডা ও রাহুল গান্ধি বাকযুদ্ধে জড়িয়েছে। এর আগেও লাদাখ ইস্যুতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা বানালে আসরে নামের জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির কোনও বৈঠকেই হাজির হননা রাহুল। উল্টে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন গান্ধী পরিবারে জন্য কংগ্রেসে যোগ্য নেতৃত্ব মর্যাদা পায় না।