মসনদে চড়া হয়ে গিয়েছে। মুকুট পরা এখন স্রেফ কিছু সময়ের অপেক্ষা। নরেন্দ্র মোদীর দ্বিতীয় দফার অভিষেকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ। 

জানা যাচ্ছে, আট হাজার অভ্যাগতকে সাক্ষী রেখে দ্বিতীয় বার শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদী বৃস্পতিবার সন্ধে সাতটায়। রাষ্ট্রপতি ভবন চত্বরে সেই উপলক্ষ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে প্রস্তুতি। ২০১৪ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে রাজ অভিষেক হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর। সেবার অভ্যাগতের সংখ্যা ছিল ৩৫০০। উপস্থিত ছিলেন সার্ক দেশগুলির প্রতিনিধিরা। মোদীর আগে চন্দ্রশেখর ১৯৯০ সালে এবং অটলবিহারী বাজপেয়ী ১৯৯৯ সালে রাষ্ট্রপতি ভবনের অঙ্গনে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত এবার শপথ গ্রহণে ডাকা হয়েছে বিমস্টেক দেশগুলিক প্রতিনিধিদের। বাংলাদেশ মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যাণ্ড, নেপাল, ভূটান থেকে আসছেন অভ্যাগতরা। 

নিমন্ত্রিত দেশের প্রধান বিরোধী মুখগুলিও। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর চন্দ্রশেখর রাও-দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। ডাকা হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও । তবে তিনি অনুষ্ঠানে যাচ্ছে না।

৩০৩ টি আসনে জয়লাভ করে আজ ক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করছে গেরুয়া বাহিনী। এবার লোকসভায় তেলেঙ্গানা ও বাংলার গেরুয়াকরণ চোখে পড়বে সবচেয়ে বেশি।