ভারত জুড়ে দীপাবলি পালন করা হচ্ছে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরছে ছেলেরা। পরিবারের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিতে আগ্রহী সবাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময় উৎসবের দিন তাঁরা ছুটি পান না। দেশের সমস্ত জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব যে তাঁদের কাঁধে। সীমান্ত, গুলি, বিদেশি শত্রু আর কাঁধে দায়িত্বের বোঝা নিয়ে তাঁদের জীবনে কখন যে উৎসবের মরশুম আসে, আর কখন যে চলে যায়, বুঝতে পারা যায় না। তাঁরা আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্য। তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি কাটাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উড়ে গিয়েছেন কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় এলওসির কাছে। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় সেনাবাহিনীর দপ্তরে পৌঁছে যান। সেখানে এলওসি কাছে অবস্থানরত সেনাদের সঙ্গে তিনি এবার  দীপাবলির কাটাবেন বলে জানা গিয়েছে।  ২০১৪ সাল থেকে এই নিয়ে তিন বার নরেন্দ্র মোদী কাশ্মীরে অবস্থানরত সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি কাটাচ্ছেন।  প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই মোদী  প্রতিবার দীপাবলি কখনও সেনাদের সঙ্গে তো কখনও দুর্গত মানুষের সঙ্গে কাটিয়ে এসছেন। একবার তিনি সিয়াচেনের দুর্গম এলাকায় অবস্থানরত সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি কাটান। পাশাপাশি একবার তিনি শ্রীনগরে বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে  দীপাবলির আনন্দে মেতে ওঠেন।  ২০১৭ সালে দীপাবলির দিন তিনি গুর্জ সেকটরে অবস্থানরত সেনাদের সঙ্গে ছিলেন।  ২০১৫ সালে তিনি পঞ্জাব প্রদেশের সীমান্তে পাহারারত সেনাদের সঙ্গে দীপাবলির দিন মেতে উঠেছিলেন।  ঠিক তার পরের বছর তিনি ছিলেন অরুণাচল প্রদেশে তিব্বত সীমান্তে। 

প্রধানমন্ত্রী কাছে পাওয়ার আনন্দে হয়তো সেনারা অনেকটাই ভুলতে পারেন উৎসবের দিন বাড়িতে না ফেরার আনন্দ। অন্য দিকে, দীপাবলির দিন সেনা বা দুর্গতদের পাশে থেকে যেমন সরাসরি সেনাদের দাবি-দাওয়া, অভাব অভিযোগ শোনার সুযোগ পান। তেমনি সেনাদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপন হয়।