ঘরোয়া বৈঠকে বসছেন ভারতীর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তামিলনাড়ুর ১৩০০ বছরের পুরনো এই শহরকেই বেছে নেওয়া হয়েছে  ঘরোয়া বৈঠকের স্থান হিসাবে। যার সঙ্গে যোগ রয়েছে চিনের। 

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের স্থান হিসাবে খুব সুচারু ভাবেই  মামাল্লাপুরমকে নির্বাচন করা হয়েছে। ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি আলাদা আগ্রহ রয়েছে জিনপিং-এর। আর খোদ মামাল্লাপুরমের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চিনের ইতিহাস। পাশাপাশি তামিলনাড়ুতে নিজেদের  প্রভাব বৃদ্ধির কথাও ভাবছে  গেরুয়া শিবির। 

ইতিহাসের মামাল্লাপুরম এখন বিখ্যাত মহাবলীপুরম হিসাবেই। আজ থেকে ১২০০-১৩০০ বছর আগে গড়ে উঠেছিল এর ইতিহাস। পল্লব রাজত্বে দক্ষিণ ভারতের অন্যতম প্রধান বন্দর ছিল মামাল্লাপুরম। চিনের সঙ্গে বাণিজ্য চলত এই বন্দর থেকেও। প্রাচীনকালে চিনের সঙ্গে গড়ে ওঠা সেই বাণিজ্যের নিদর্শন আজও পাওয়া যায় মামাল্লাপুরমের মৃতশিল্পে। প্রাচীন যুগে চিনের সঙ্গে বিশ্বের সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ রয়েছে জিনপিং-এর। তাই  হাজারেরও বেশি বছর আগে চিনের সঙ্গে সংযোগ গড়ে ওঠা মামাল্লাপুরমকে বৈঠকস্থল হিসাবে বেছে নিতে দেরি করেনি ভারত। 

পাশাপাশি জড়িয়ে রয়েছে আরও একটি ইতিহাস। হাজার বছর আগে মামাল্লাপুরম থেকেই এক তামিল রাজকুমার গিয়েছিলেন চিনে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারে। সেই রাজকুমারের নাম জানা না গেলেও তিনি পল্লব বংশের সন্তান ছিলেন বলেই মনে করা হয়। 

ঘরোয়া বৈঠকের পাশাপাশি মোদী চিনা প্রেসিডেন্টকে মামাল্লাপুরমের তিনটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ ঘুরে দেখাবেন। মন্দির চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন দুজনে।