পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপদ। আর সেই বিপদের সন্ধান সবার প্রথম পেল ভারতের দুই দশম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলের এক আন্তর্জাতিক প্রচারে অংশ নিয়েছিল তারা। আর টেলিস্কোপে চোখ রাখার সুযোগ পেতেই করল এই অবিশ্বাস্য আবিষ্কার করেছিল। পরে তাদের আবিষ্কার যাচাই করে স্বীকৃতি জানিয়েছে মার্কিন মহকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসাও।

গুজরাতের সুরাতে থাকে বৈদেহি ভেকারিয়া সঞ্জয়ভাই এবং রাধিকা লখানি প্রফুলভাই। দুজনেই পড়ে পিপি সাভানি চৈতন্য বিদ্যা সঙ্কুল বিদ্যালয়ে। সেখানেই স্পেস ইন্ডিয়ার সহায়তায় ২ মাসের একটি বিজ্ঞান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সহায়তা করেছিল টেক্সাসের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিকাল সার্চ কোলাবোরেশন বা আইএএসসি এবং হার্ডিন সিমন্স বিশ্ববিদ্যালয়। এই কর্মসূচীতে হাওয়াই-এর উচ্চ-মানের সিসিডি ক্যামেরা বিশিষ্ট 'প্যান স্টার্স অ্যাডভান্সড টেলিস্কোপ'এ  চোখ রাখার সুযোগ পেয়েছিল পিপি সাভানি চৈতন্য বিদ্যা সঙ্কুল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আর তারপরই মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি একটি গ্রহাণু আবিষ্কারের দাবি করেছিল বৈদেহি এবং রাধিকা।

সম্প্রতি নাসা তাদের এই বিরল সন্ধানকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বৈদেহি এবং রাধিকা-কে এই বিষয়ে তারা ইমেল-ও করেছে। নাসা গ্রহাণুটির নাম রেখেছে এইচএলভি ২৫১৪। এটি একটি নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট বা এনইও। অর্থাৎ পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হতে পারে, এমন সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে এটি মঙ্গল গ্রহের কাছে রয়েছে। তবে এরপরই সে ধেয়ে আসবে পৃথিবীর দিকে। তবে সেই বিপদ আসতে এখনও বেশ দেরি রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন অন্তত  ১০ লক্ষ বছর পর মঙ্গল থেকে পৃথিবীর কাছে এসে পৌঁছবে গ্রহাণুটি।