মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেবেন্দ্র ফড়নবীশ শপথ নেওয়ার পরে, পৌনে একটা নাগাদ কংগ্রেস, এনসিপি ও শিবসেনা সাংবাদিক সম্মেলন করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শরদ পাওয়ার, উদ্ধব ঠাকরে, আদিত্য ঠাকরে। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে  এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার বলেন, সরকার গঠনের জন্য জোটের কাছে  ১৭০ জন বিধায়কের সমর্থন ছিল। কিন্তু আমাদের পাশ কাটিয়ে এনসিপির বেশ কয়েকজন বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করেছে। ওই সাংসদরা কখনই  এসসিপিকে  চিত্রিত করে না। অজিত পাওয়ার সম্পূর্ণ দলের বিরুদ্ধে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।  এনসিপির ১০ থেকে ১১ জন বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করেছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সকলের সঙ্গেই আমাদের যোগাযোগ ছিল। 

সাংবাদিক সম্মেলনে এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, কখন কীভাবে বিধায়করা বিজেপিকে সমর্থন করেছে তা আমাদের জানা নেই। বিজেপি নেতা যখন রাজভবনে গেল, তখনই আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারলাম।  এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, যাঁরা অজিত পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেছেন, তাঁরা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।  অজিত পাওয়ার তাঁদের সঙ্গে কোনও পরামর্শ না করেই রাজভবনে নিয়ে গিয়েছেন বলে এনসিপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

 

শিবসেনার প্রধান উদ্ধব ঠাকরে মন্তব্য করেন,  আমরা যা করেছি, দিনের আলোয় করেছি। সকলের সামনে জোট গঠনের চেষ্টা করেছি। কিন্তু বিজেপি যেটা করেছে, রাতের অন্ধকারে করেছে। গোপনে করেছে। আমরা হরিয়ানাতে দেখেছেন, এর উদাহরণ আপনারা  বিহারে দেখেছেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার জন্য সব কিছু করতে পারে। সমস্ত আইন ভাঙতে পারে। তাই দল ভাঙিয়ে বিজেপি সরকার গঠনের চেষ্টা করছে।  বিজেপি মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্রের ওপর সার্জিক্যাল অ্যাটাক করেছে।