২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আচমকাই রাত ৮টা নাগাদ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ নিয়ে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর গঙ্গ-যমুনা দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নোট বাতিল নিয়ে শাসক বিরোধীর তরজা শেষ হয়নি। দেশের অর্থনৈতিক বেহাল দশার জন্য বিরোধীরা নোটবাতিলকেই মূলত দায়ি করে থাকেন। কারণে অকারণে নোটবন্দির প্রসঙ্গে তুলে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। নোটবন্দির চতুর্থ বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবারও সরব হন নোটবন্দির পক্ষে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমমন্ত্রী বলেন নোটবন্দি আর্থিক দূর্ণীতি হ্রাস করেছে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, নোটবন্দি কালো টাকা কমাতে আর কর বৃদ্ধির বিষয়ে সহায়তা করেছিল। এটি স্বচ্ছতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। যা দেশের অগ্রগতিকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। সঙ্গে তিনি নোটবাতিলের সমর্থনে বেশ কিছু তথ্যও তুলে ধরেন। অনেকটা একই সুরে কথা বলেছে তাঁর দল বিজেপি। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কংগ্রেস তথা ইউপিএ সরকার দুদশক ধকে যে দূর্ণীতি ও কালো টাকার প্রচলন করেছিল তা থামিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে নোটবন্দি। 

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর রাত আটটার সময় নোটবন্দির কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছিলেন রাত ১২টার পর থেকেই বাতিল করা হয়েছে ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোট। নোটবাতিলের সেই দিনগুলির তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা এখনও মনে রেখেছেন দেশের অনেক মানুষ। ব্যাঙ্কার সামনে লম্বা লাইন দিয়ে বাতিল হয়ে যাওয়া নোট ফিরত দিয়েছিলেন নাগরিকরা। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসেব অনুযায়ী ৮৬ শতাংশ নোটই ফিরে এগিয়েছিল ব্যাঙ্কে। যা নিয়ে আরও একবার সরব হয়েছিল বিরোধীরা। নোট বাতিলের চার বছরে প্রধানমন্ত্রী আরও একবার বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিলেন তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে এখনও অনড় রয়েছেন।