এনপিআর আপডেট প্রক্রিয়ার সঙ্গে অসহযোগিতা করার দাবি বাড়ছে গোটা দেশে। কিন্তু, কেউ যদি এনপিআর-একে তথ্য দিতে না চান কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেন, সেই ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে এক হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। নিয়ম সেই কথাই বলছে বলে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বিধিমালার ১৭ নম্বর বিধি অনুসারে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে। তবে ২০১১ এবং ২০১৫ সালে দুবার এনপিআর আপডেট করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কারোর জরিমানা করা হয়নি।

গত মাসে সিএএএ, এনপিআর এবং এনআরসি  বিরোধী এক মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে লেখিকা অরুন্ধতী রায় বলেছিলেন এনপিআর-এর তথ্য নিতে আসলে সরকারি কর্মীকে ভুল নাম দিতে হবে। উল্টোপাল্টা নাম বলে এই প্রক্রিয়ায় অসহযোগিতা করতে হবে। শুধু তিনিই নন, এই ভুল তথ্য দিয়ে অসহযোগিতার মাধ্যমে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন আরও অনেকেই। কিন্তু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বুঝিয়ে দিল, সেই ক্ষেত্রে বিপদ আছে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র টুইট করে জানিয়েছেন, এনপিআর-এর জন্য আধার, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স কোনও 'কাগজ'ই লাগবে না। এই নথিগুলির নম্বর সরবরাহ করাটাও বাধ্যতামূলক নয়।

এনপিআর এর সঙ্গে যুক্ত সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাঁরা আগের দুইবারে এনপিআর আপডেট করতে গিয়ে কোনও প্রতিরোধের মুখে পড়েননি। কোনও উত্তরদাতারাই আধার, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্টের বিশদ বিবরণ দিতে দ্বিধা করেননি। একটি মাত্র নথির ক্ষেত্রে অনেকেই আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন, তা হল প্যান নম্বর। এই কারণে, এইবার প্যান কার্ডের কলামটিই সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।