কৃষি বিল নিয়ে মখু খুলে কংগ্রেসের বহিষ্কৃত নেতা সঞ্জয় ঝা আবারও  বিপদে ফেলে দিলেন দলকে। শুক্রবার কৃষি বিল নিয়ে সোশ্যায় মিডিয়ায় একটি বার্তা দেন তিনি । সেখানে তিনি লেখেন, কৃষকদের নিয়ে একই সুতোর ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে বিজেপি আর কংগ্রেস। কারণ ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশিত কংগ্রেসের ইস্তেহারে দলের পক্ষ থেকে এপিএমসি আইন অবলুপ্তির কথা বলা হয়েছিল। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য মুক্ত বাজারেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

সংসদে কৃষি বিল পাশ হলেও বর্তমানে তার বিরোধিতা করে আসরে নেমেছে কংগ্রেস। বিলের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ওয়াক আউটও করেছিল কংগ্রেস।  কৃষি বিলের তীব্র সমালোচনা করে বলা হয়েছে এই বিলের ফলে কৃষকরা ফসলের ন্যায্য দাম নাও পেতে পারেন। কিন্তু সঞ্জয় ঝার কথা অনুযায়ী কংগ্রেসেরেও একই পরিকল্পনা ছিল। তাঁর কথায় ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পুরণ করে দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড নেতা সঞ্জয় ঝার এই মন্তব্যের পরই আসরে নেমেছেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।  সঞ্জয় ঝার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি কংগ্রেসের ইস্তেহার পড়েছেন এবং তা মনে রেখেছেন। কিন্তু নেতৃত্ব পুরো বিষয়টি ভুলে গিয়ে দ্বিচারিতা করছে। পাশাপাশি তিনি রাহুল গান্ধীকেও এদিন নিশানা করেন। বলেন যখন সংসদ চলছে, কৃষকদের ক্ষমতায়ানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে তখন দলের নেতারা স্বাচ্ছন্দে বিদেশে বসে রয়েছে। 


সোমবার থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। কিন্তু বাদল অধিবেশন অনুপস্থিত কংগ্রেসের সভানেত্র সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। চিকিৎসার জন্য সনিয়া রয়েছেন বিদেশে। সঙ্গে রয়েছেন পুত্র রাহুল গান্ধী। যিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কট্টর সমালোচক। প্রায় প্রতিটি বিষয়ে তিনি নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। কিন্তু করোনা মহামারি আর লাদাখ ইস্যুর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ লাদাখ অধিবেশনে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে রীতিমত খোঁচা দিলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।